এই ৫ টি কাজ করে আপনার ফোন সুরক্ষিত রাখুন ।

AHK Tech Studio তে আপনাদেরকে আবারো স্বাগতম। আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আর ভালো আছেন বলেই আমাদের ব্লগের এই নতুন আর্টিকেলটি পড়তে বসেছেন। আমিও ভালোই আছি। তবে শীত একটু বেশি। তাই বাইরে কোথাও না গিয়ে ভাবলাম আপনাদের একটি আর্টিকেল উপহার দিলে মন্দ হয় না। আর এজন্যই তো লিখতে বসা।

মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে সবার কাছে আমার রিকুয়েস্ট, যারা আমাদের ব্লগটি এখনো সাবস্ক্রাইব করেন নি তারা এখনি সাবস্ক্রাইব করে দিন আর আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে একদমই ভুলবেন না। তাহলে নিত্যনতুন আর্টিকেল আর ভিডিও পেয়ে যাবেন সবার আগে।

আজ আলোচনা করবো কিভাবে আপনি আপনার স্মার্টফোনটি সুরক্ষিত রাখবেন?  তাই আমি আজকে অ্যান্ড্রয়েড ফোন সুরক্ষিত রাখার ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব। আশাককরি এই ৫ টি উপায় ফলো করলে অনেক সুরক্ষিত থাকবেন। সাথে আছি আমি MD A H Kawsar. আপনারা দেখছেন AHK Tech Studio.

১. শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করুনঃ এখনকার ফোনগুলি অনেকটাই আপনার PC র ন্যায় কাজ করে। তাই আপনার ফোনটিতও কম্পিউটারের মত যেকোন সময় ভাইরাস আক্রমণ করতে পারে। ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে ব্যাবহার করুন শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাস। আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে আমি Avast, Kaspersky(Paid), QuickHeal Smartphone Security এই তিনটি ব্যাবহার করার পরামর্শ দেব। তবে হ্যা কখনই কিন্তু একসাথে একটির বেশী অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করবেন না। এতে অনেক সমস্যার সৃস্টি হয়। 

২. কোন অ্যাপ ইন্সটল করার আগে সতর্ক হোনঃ অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য রয়েছে অসংখ্য সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন। অনেকসময় ব্যবহারকারী নিজের অজান্তেই ক্ষতিকর অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে ফেলেন । এ কারণে বিভিন্ন স্মার্টফোন নিরাপত্তা সংস্থা কোনো অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার আগে এর নির্মাতা ও প্রদানকারী সাইট সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

৩. ও.এস সর্বদা আপডেট রাখুনঃ আমরা মাঝে মাঝেই নতুন নতুন আপডেট পাই। সেগুলি আসলে পুরোনো ভারসনের ফল্ট গুলো শুধরে দিয়ে আরো উন্নত করার জন্যই বানায় নির্মাতারা। একই সঙ্গে আপনার ফোনটিকে নতুন নতুন ভাইরাসের থেকে রক্ষা করার জন্যও বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করে বানানো হয় এই আপডেট গুলি। তাই আপনার ফোনের ও.এস সর্বদা আপডেটেড রাখুন। 

৪. সবসময় ডেটার ব্যাকআপ রাখুনঃ যে কোনো সময় নষ্ট, চুরি অথবা হারিয়ে যেতে পারেআপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি। সে ক্ষেত্রে আশঙ্কা রয়েছে আপনার মূল্যবান ও ব্যক্তিগত তথ্য হারিয়ে যাবার এবং অন্য কারও হাতে চলে যাওয়ার। এ ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য ব্যবহার করুন ব্যাকআপ। ফলে ফিরে পাবেন আপনার দরকারি তথ্যগুলো। আর যদি আপনার ফোনটি হারিয়ে যায় অথবা চুরি হয়, তাহলে ‘রিমোট-ওয়াইপ ফিচার’ ব্যবহার করে মুছে ফেলা যাবে ব্যক্তিগত তথ্য। এতে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা যাবে। সুতরাং ব্যবহার করুন ফিচারটি এবং নিরাপদ রাখুন আপনার ফোন।

৫. এনক্রিপ্ট করে রাখুন সমস্ত ডেটাঃ এনক্রিপশন ব্যবহার করে ফোন ব্যাবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এনক্রিপশন ব্যবহার করে ডেটার নিরাপত্তা বাড়ানো যায় অনেকাংশে। এনক্রিপ্ট করা ডেটাতে প্রবেশ করতে পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন হয় । অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এই সুবিধাটি পাওয়ার জন্য সেটিংস থেকে সিকিউরিটি অপশন সিলেক্ট করে এনক্রিপ্ট চালু করে নিতে পারেন আপনারা। আমি নিজেও এই ফিচারটা ব্যাবহার করে বিশাল বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি।


তো এই ছিলো আজকের বিস্তারিত আলোচনা। জানি না কতটুকু বুঝাতে পেরেছি বা কতটুকু গুছিয়ে লিখতে পেরেছি। তবে আমি আমার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি আপনাদের বুঝানোর জন্য। যাই হোক, আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে একদমই ভুলবেন না। আবার হাজির হবো নতুন কোনো আর্টিকেল নিয়ে। ততক্ষন পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

"আল্লাহ হাফেজ"

0 Comments