ইন্টারনেট স্পিড বাড়িয়ে কচ্ছপ গতির ইন্টারনেটকে দিন রকেট গতি

AHK Tech Studio তে আপনাদেরকে আবারো স্বাগতম। আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আর ভালো আছেন বলেই আমাদের ব্লগের এই নতুন আর্টিকেলটি পড়তে বসেছেন। নিশ্চুই পোস্টের টাইটেল দেখেই আজকের পোস্টটি পড়তে এসেছেন । যাই হোক, আপনি যেভাবেই এই পোস্টে আসেন না কেন অবশ্যই কিছু জানার জন্যই আসছেন । আর আমিও এসেছি আপনাদের কিছু জানানোর জন্যই । আজকে আমরা কথা বলবো কিভাবে কম্পিউটারের ইন্টারনেট স্পীড বাড়ানো যায় বা কেন আমাদের ইন্টারনেট স্লো কাজ করে । তো চলুন বেশি বকবক না করে মূল আলোচনায় যাওয়া যাক ।

মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে সবার কাছে আমার রিকুয়েস্ট, যারা আমাদের ব্লগটি এখনো সাবস্ক্রাইব করেন নি তারা এখনি সাবস্ক্রাইব করে দিন আর আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে একদমই ভুলবেন না। তাহলে নিত্যনতুন আর্টিকেল আর ভিডিও পেয়ে যাবেন সবার আগে।

আমরা যারা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই হাই স্পিডের ইন্টারনেট চালাতে পছন্দ করি । কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় ইন্টারনেট প্যাকেজ ভাল হলেও সেই অনুযায়ী স্পীড পাওয়া যায় না । আর আমরা অনেকেই ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির উপায় জানি না। যার ফলে গুগলে সার্চ দিতে হয়, ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম লিখে। আর দিনে দিনে ইন্টারনেটে ভিডিও/ ফাইল/ সফটওয়্যার ইত্যাদি সব কিছুই অনেক বড় সাইজের হয়ে যাচ্ছে। তাই কম গতির ইন্টারনেট মানেই বিরক্তি। শুরুতেই বলে রাখছি, আপনার ইন্টারনেট প্রভাইডার থেকে আপনি টাকা দিয়ে যে স্পিড প্যাকেজ কিনেছেন, সেটার চেয়ে বেশি স্পিড পাওয়ার কোন পদ্ধতি এই পোস্টে দিচ্ছি না। ধরুন আপনি আপনার প্রভাইডারকে প্রতি মাসে ২Mbps কানেকশন স্পিডের জন্য টাকা দেন, এখন আপনি কোন ভাবেই সেটা ৫Mbps এ বাড়াতে পারবেন না। কিন্তু আপনি যদি প্রাপ্য স্পিড না পান, ধরুন আপনি ১০Mbps প্ল্যানের জন্য টাকা খরচ করছেন, কিন্তু আপনি সেই স্পিড পাচ্ছেন না, তাহলে আজকের আর্টিকেল সম্পূর্ণই আপনার জন্য। সম্পূর্ণ আর্টিকেলে আমরা ইন্টারনেট স্পিড কম পাওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো এবং সমাধান করবো। সাথে আছি আমি MD A H Kawsar. আপনারা দেখছেন AHK Tech Studio.

ইন্টারনেট স্পিড টেস্টঃ

আমাকে আগে আপনি এটা বলেন যে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন স্পিড কতোটুকু?
আপনি হয়তো ফাইল ডাউনলোড লাগিয়ে দিয়ে পরীক্ষা করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু কোন ফাইল ডাউনলোড লাগিয়ে কখনোই আপনি আসল স্পিড নির্ণয় করতে পারবেন না। ফাইল ডাউনলোড স্পিড শুধু আপনার ইন্টারনেট কানেকশন স্পিডের উপর নির্ভর করে না। আপনি যে ইন্টারনেট সার্ভার থেকে ফাইলটি ডাউনলোড করছেন, তার স্পিডও গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন আপনার ইন্টারনেট কানেকশনের আসল স্পিড ১০Mbps কিন্তু আপনি যে সার্ভার থেকে ফাইল ডাউনলোড করছেন তার সর্বোচ্চ ট্র্যান্সফার স্পিড ৫Mbps এক্ষেত্রে আপনার ডাউনলোডিং স্পিড ৫Mbps পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকবে। তো এখন নিশ্চই আপনার মনে প্রশ্ন জেগেছে যে, তাহলে আসল ইন্টারনেট স্পিড মাপার পদ্ধতি কি? উত্তরটা একটু পরেই পেয়ে যাবেন ।

অনেকেই speedtest.net সাইটটির সাথে পরিচিত থাকবেন হয়তো, এটি মুলত আপনার আসল স্পিড পরিমাপ করতে আপনাকে সাহায্য করবে। কিন্তু এখানেও কিছু ব্যাপার রয়েছে, যেগুলো আপনার নজরে রাখা প্রয়োজন। speedtest.net আপনার স্পিড নিজের সার্ভারের সাথে কানেক্ট করে টেস্ট করিয়ে দেয় না। এটি বিভিন্ন সার্ভারের সাথে আপনার কানেকশনকে কানেক্ট করে স্পিড পরিমাপ করে। যখন আপনি স্পিড টেস্ট শুরু করেন, ওয়েবসাইটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বেস্ট সার্ভার সিলেক্ট করে এবং স্পিড পরিমাপ করে। speedtest.net থেকে চেক করে যদি দেখেন আপনার প্রাপ্য স্পিড পাচ্ছেন না কিংবা এখানে ভাল স্পিড দেখাচ্ছে কিন্তু বাস্তবে আসলে এরকম স্পিড পাচ্ছেন না তাহলে আমার এই পোস্টে উল্লেখ করা সমস্যা গুলো দেখুন এবং সমাধান গুলো কাজে লাগাতে পারেন।

যদি রাউটারে কানেক্টেড থাকেনঃ

আপনার রাউটারে কানেক্টেড থাকা সকল ডিভাইস গুলো থেকে স্পিড টেস্ট করুন এবং ফলাফল লক্ষ্য করুন। যদি দেখেন কিছু ডিভাইসে ভালো স্পিড পাচ্ছে আবার কিছু ডিভাইস খারাপ স্পিড পাচ্ছে, তাহলে এখানে আপনার আইএসপির কোন সমস্যা নেই। সমস্যা ঐ ডিভাইস গুলোর যেকোন টিতে অথবা রাউটার থেকে ডিভাইস কানেকশনের মধ্যে সমস্যা রয়েছে। আবার যদি স্পিড টেস্ট করে দেখা যায় যে, সকল ডিভাইস গুলোই স্লো স্পিড পাচ্ছে, তবে আপনার রাউটার এবং কানেকশন প্রবলেম হতে পারে। যদি আপনার রাউটারে থাকা মোবাইল ভালো স্পিড পায়, কিন্তু কম্পিউটার যদি ভালো স্পিড না পায় তবে আপনাকে কম্পিউটারের স্পিড ঠিক করতে হবে। এখানে সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার নির্ভর উভয় ধরনের সলিউশনের কথা আপনাকে ভাবতে হবে। আপনার Old Device হলেও এই ক্ষেত্রে স্পিড কম পেতে পারেন।

সমস্যা আপনার পিসিতে থাকলেঃ

আপনার কম্পিউটারটি যদি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলে, তবে হতে পারে কোন উইন্ডোজ ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস, কিংবা উইন্ডোজ আপডেট আপনার ব্যান্ডউইথ স্পিড কমিয়ে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আপনি উইন্ডোজের টাস্ক ম্যানেজারের প্রসেস মনিটর থেকে দেখতে পারেন, কোন প্রসেসগুলো অযথা নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ স্লো করছে। আবার আপনি নেট ব্যাল্যান্সার নামক টুলটি ইন্সটল করে সহজেই মনিটর করতে পারবেন কোন কোন সফটওয়্যার বা প্রসেস কিভাবে কতটুকু ইন্টারনেট স্পিড খেয়ে ফেলছে। আপনি চাইলে সেখানে আপনার প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং ডাউনলোড ম্যানেজারকে অধিক প্রাধান্য দিয়ে রাখতে পারেন এবং উইন্ডোজ আপডেট প্রসেসের স্পিড লিমিট করে রাখতে পারেন। তবে মনে রাখবেন উইন্ডোজ আপডেট ডিসেবল করবেন না, এতে আপনার কম্পিউটার সিকিউরিটি হুমকিতে পড়ে যেতে পারে যদি আপনি নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন। যদি নেট মনিটরে দেখেন, কোন আলাদা প্রসেস ব্যান্ডউইথ স্পিড নষ্ট করছে না, সেক্ষেত্রে আপনার ব্রাউজার পরিবর্তন করে দেখা প্রয়োজনীয়।

আপনি যদি এখনো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করেন, তবে নিশ্চিত করে বলতে পারি এটার কারণেই আপনার কম্পিউটারে স্লো স্পিড পাচ্ছেন। আপনি ফায়ারফক্স ব্যবহার করতে পারেন যা স্পিডের হিসেবে অনেক ফাস্ট ব্রাউজার। অথবা গুগল ক্রোমও ব্যবহার করতে পারেন। তবে আপনার পিসির কনফিগারেশন যদি খুব একটা ভালো না হয় বা র‍্যামের পরিমাণ যদি কম থাকে তবে ক্রোম ব্যবহার না করাই ভালো। আবার আপনি যদি অলরেডি ক্রোম বা ফায়ারফক্স ব্যবহার করেন এবং তারপরেও স্লো স্পিড অনুভব করেন সেক্ষেত্রে ব্রাউজার এক্সটেনশন এবং প্ল্যাগইনস বা অ্যাড অনস গুলোকে আনইন্সটল করে দেখুন আপনার ইন্টারনেট স্পিড বুস্ট করছে কিনা।

আবার অনেক সময় আপনার ডিএনএস সার্ভার স্লো হওয়ার কারণেও আপনার পেজ লোড হতে দেরি হতে পারে। আপনি যখন ব্রাউজারে কোন অ্যাড্রেস লিখে সেখানে প্রবেশ করতে চান আপনার ব্রাউজার প্রথমে সেই ডোমেইন নেমটির পেছনের আইপি অ্যাড্রেসটিকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে। আর ডিএনএস সার্ভারে সকল ডোমেইনের পেছনের আইপি অ্যাড্রেস ডাটা থাকে। যদি ডিএনএস সার্ভার স্লো হয়, তবে ব্রাউজার ডোমেইন নেম আইপি খুঁজে পেতে দেরি করবে ফলে ব্রাউজিং স্পিডের উপর এর প্রভাব দেখতে পাওয়া যাবে। আপনি যদি নিজে থেকে ডিএনএস সার্ভার পরিবর্তন না করেন, তবে সেটা ডিফল্টভাবে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের ডিএনএস এ সেট হয়ে থাকবে। ফাস্ট পারফর্মেন্স পাওয়ার জন্য গুগল পাবলিক ডিএনএস ব্যবহার করতে পারেন। আপনার উইন্ডোজ কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক অ্যাডাপটার সেটিং থেকে খুব সহজেই কাস্টম ডিএনএস সেট করে নিতে পারবেন।

হার্ডওয়্যার জনিত সমস্যা হলেঃ

আপনি উপরের সবকিছু করে দেখলেন, কিন্তু এখনো আপনার ইন্টারনেট স্পিড ঠিক হলো না। তাহলে নিশ্চয় হার্ডওয়্যার জনিত ব্যাপার রয়েছে। আপনি যদি রাউটার থেকে ইথারনেট ক্যাবল ব্যবহার করে পিসিতে ইন্টারনেট সংযোগ করে থাকেন তবে দেখুন ক্যাবলটি কোন ক্যাটাগরির। যদি ক্যাবলের গায়ে ক্যাট ৫ই (CAT5e) বা ক্যাট ৬ (CAT6) বা ক্যাট ৬ এর পরে যেকোনো কিছু লেখা থাকে তবে আপনি সঠিক ক্যাবলটি ব্যবহার করছেন। যদি আপনার ক্যাবলটিতে শুধু ক্যাট ৫ লেখা থাকে, তবে অবশ্যই আপনি ভুল ক্যাবলটি ব্যবহার করছেন। তাই এক্ষুনি ক্যাবলটি পরিবর্তন করে দেখুন। আবার আপনার কম্পিউটারটি যদি অনেক পুরাতন হয়ে থাকে, তবে হতে পারে আপনার কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কার্ড ভালো স্পিড সমর্থন করে না।

উইন্ডোজ কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক অ্যাডাপটার সেটিং এ Change Adapter অপশনে গিয়ে দেখুন যদি দেখতে পান 1 GBps স্পিড সমর্থন করে লেখা আছে, তবে স্বাগতম যে আপনার নেটওয়ার্ক কার্ডটি গিগাবিট স্পিড সমর্থন করে আর যদি 100 MBps প্রদর্শন করে তবে আপনার নেটওয়ার্ক কার্ডটি পুরাতন বা কোন মতে চলার মত। তবে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন স্পিড যদি 100 MBps এর কম হয় তাহলে নেটওয়ার্ক কার্ডের জন্য কোন সমস্যা হবে না। আবার এমনও হতে পারে আপনার পিসিতে ইন্টারনেট স্পিড ঠিক রয়েছে কিন্তু আপনার ব্রাউজার ওয়েবপেজ লোড করতে দেরি করছে অথবা আপনার মনে হচ্ছে ব্রাউজার দুর্বল হয়ে গেছে সেই মুহূর্তে নিশ্চয় আপনার কম্পিউটারের রিসোর্স ঘাটতি রয়েছে। আপনার কম্পিউটার যদি নতুন হয় কিন্তু তারপরেও এই সমস্যা দেখতে পান তবে অবশ্যই বিশেষ করে বেশি পরিমাণে র‍্যাম লাগানো প্রয়োজন। কারণ ব্রাউজারে যত বেশি ট্যাব ওপেন করবেন তত বেশি পরিমাণে র‍্যাম প্রয়োজন হবে। র‍্যাম কম হলে ওপেন থাকা ট্যাব গুলো হঠাৎ ক্র্যাশ করতে পারে অথবা পেজ বারবার রিফ্রেশ নিতে পারে।

রাউটার জনিত সমস্যা ও সমাধানঃ

আপনার কম্পিউটারের সফটওয়্যার এবং ফিজিক্যাল সমস্যা গুলো টেস্ট করার পরেও যদি ইন্টারনেট স্পিডে কোন পার্থক্য না আসে তবে এবার রাউটারের দিকে নজর দিতে হবে। প্রথমত আপনার কানেকশন স্পিড যদি অনেক ফাস্ট হয় অর্থাৎ আপনি যদি ফাস্ট স্পিডের জন্য টাকা প্রদান করেন আর আপনার রাউটার যদি পুরাতন হয় তাহলে অবশ্যই রাউটারটি আপগ্রেড করুন। যদি আপনি ওয়াইফাই ব্যবহার করে ডিভাইস গুলোকে কানেক্ট করেন তবে অবশ্যই লক্ষ্য করুন ডিভাইস গুলো ঠিকঠাক মত সিগন্যাল পাচ্ছে কি না। যদি কোন কারণে সিগন্যাল বাঁধা পায় সেক্ষেত্রে ইন্টারনেট স্পিড কমে যাবে এটাই স্বাভাবিক। ডিভাইস গুলোকে রাউটারের কাছাকাছি নিয়ে আসেন এবং স্পিড টেস্ট করে দেখেন। যদি স্পিড বেড়ে যায় তাহলে অবশ্যই সিগন্যাল প্রবলেম রয়েছে। এক্ষেত্রে পুরাতন রাউটার হলে একটি ভালো রাউটার কিনুন বিশেষ করে একটু ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার কিনুন এবং ৫GHz ব্যান্ডে আপনার ডিভাইস গুলোকে কানেক্ট করার চেষ্টা করুন এতে সিগন্যাল বাঁধা পাওয়া কমে যাবে, পাশাপাশি ভালো ব্যান্ডউইথ স্পিডও পাবেন।

আর অবশ্যই রাউটার সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেটেড রাখুন। সিগন্যাল আরো বিস্তার করার জন্য সিগন্যাল এক্সটেন্ডার কিনতে পারেন তবে এক্ষেত্রে আমি বলবো সিগন্যাল এক্সটেন্ডারটিকে তারের সাথে কানেক্ট করতে এতে আরেকটি নতুন আক্সেস পয়েন্ট তৈরি হবে আর ভালো কোয়ালিটি সিগন্যাল পাবেন। যদি আপনার দুর্বল ওয়াইফাই রাউটারযুক্ত সিগন্যালকেই রিপিট করেন সেক্ষেত্রে সিগন্যাল রিপিটারটি সেই দুর্বল সিগন্যালকেই রিপিট করবে এতে খুব বেশি সুবিধা পাবেন না। আর যদি আপনার ডিভাইসটি রাউটারের কাছে নিয়ে আসার পরেও স্পিড ঠিক না হয় তবে আপনার আইএসপির সমস্যা হতে পারে কিংবা আপনার রাউটারটি পুরাতন হতে পারে। আবার আরেকটি বিষয়ও আপনাকে মাথায় রাখতে হবে আপনার রাউটার হ্যাক করে অন্য কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে না তো? এক্ষেত্রে অবশ্যই রাউটারে আপডেট এনক্রিপশন সিস্টেম ব্যবহার করুন সেই সাথে রাউটার সেটিংস থেকে আপনার ডিভাইস গুলো বাদে সকল ডিভাইস গুলোকে ব্ল্যাকলিস্ট করে দিন যাতে কেউ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার না করতে পারে।


শেষ কথাঃ উপরে উল্লিখিত সকল স্টেপ অনুসরণ করার পরেও যদি কোন স্পিড উন্নতি না লক্ষ্য করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আইএসপিকে ফোন করুন এবং আপনার কানেকশন স্পিডের সমস্যার কথা জানান । কেন না এতে আপনার হোম নেটওয়ার্কের কোনই সমস্যা নেই। তাই তাদেরকে এ ব্যাপারে অবহিত করলে তারা একটা সমাধান বের করে দিবে ।

তো এই ছিলো আজকের বিস্তারিত আলোচনা। জানি না কতটুকু বুঝাতে পেরেছি বা কতটুকু গুছিয়ে লিখতে পেরেছি। তবে আমি আমার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি আপনাদের বুঝানোর জন্য। যাই হোক, আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে একদমই ভুলবেন না। আবার হাজির হবো নতুন কোনো আর্টিকেল নিয়ে। ততক্ষন পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

"আল্লাহ হাফেজ"

0 Comments