Featured Posts

[Tips & Tricks][feat1]

WordPress.Com এবং WordPress.Org এই দুই এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

Thursday, July 11, 2019

হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

ব্লগিং জগতের বহুল ব্যবহৃত দুটি প্লাটফর্ম হচ্ছে "Google Blogger এবং WordPress". দুটি প্লাটফর্মেরই ‍কিছু ভিন্ন ধরনের সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। আসলে প্রত্যেকটা জিনিসের ভাল-মন্দ দুটি দিক থাকে। তেমনি "Google Blogger এবং WordPress" দুটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের আলাদা কিছু স্বতন্ত্র পার্থক্য রয়েছে। তবে সমস্যা হচ্ছে আমরা যখন ব্লগিং শুরু করি তখন বুঝতে পারি না যে, কোনটা আমার জন্য উপযুক্ত। অনেকের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে গিয়েও সঠিক কোন সিদ্ধান্তে উপনিত হতে পারেন না। আসলে কে কি বল্ল সেটা চিন্তা না করে, আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে আসলে আপনার জন্য কোনটি উপযুক্ত। কারণ এই বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনার ব্লগিং এর ধরনের উপরে। আপনি যদি পার্সনালি ব্লগিং করেন তাহলে বিষয়টি হবে এক ধরনের। অন্যদিকে ব্যবসায়িক ব্লগ বা প্রফেশনাল ব্লগিং করতে চান, তাহলে বিষয়টি হবে অন্য ধরনের।

আবার ব্লগিং ক্যারিয়ারে পা রাখার পূর্বে সবাই একটি সাধারণ প্রশ্নের সম্মুখিন হন যে, আমি WordPress দিয়ে ব্লগিং শুরু করব নাকি Google Blogger দিয়ে শুরু করব? তখন অনেকে পরামর্শ দেন WordPress দিয়ে শুরু করার জন্য আবার অনেকে Google Blogger দিয়ে ব্লগিং শুরু করার পরামর্শ দেন। যার ফলে দেখা যায় দু টানা পরামর্শের কারনে নবীন ব্লগাররা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছতে পারেন না। আমরা এ প্রশ্নগুলির সঠিক এবং পরিপূর্ণ সুস্পষ্ট সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব। তবে Blogger দিয়ে নাকি WordPress দিয়ে ব্লগিং শুরু করবেন সে বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা নেয়ার পূর্বে WordPress.Com এবং WordPress.Org এই দুই এর মধ্যে পার্থক্য কি সেটি ভালভাবে জেনে নিতে হবে। আমরা আজকের পোষ্টে WordPress.Com এবং WordPress.Org এর মধ্যে পার্থক্য ও সুবিধা-অসুবিধার বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করব এবং আগামী পোষ্টে Blogger নাকি WordPress কোনটি আপনার জন্য Perfect তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। 

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।




WordPress.Com এবং WordPress.Org যদিও বিষয়টি শুনতে আপাত দৃষ্টিতে এক মনে হচ্ছে, কিন্তু দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এ দুটি বিষয় নিয়ে লিখার পূর্বে একটি কথা সংক্ষেপে বলে রাখছি যে, WordPress.Com হচ্ছে WordPress এর একটি ফ্রি বেসিক ভার্সন। এটি আপনি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে WordPress.Org হচ্ছে WordPress এর পরিপূর্ণ প্রফেশনাল ভার্সন, যেটি আপনাকে টাকার বিনিময়ে হোস্টিং কিনে নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। এটির পরিপূর্ণ কন্ট্রল এবং দায় আপনাকে নিজেই বহন করতে হবে। 

 WordPress.Com এর সুবিধা
  • এখানে আপনাকে সর্বোচ্ছ 3GB পর্যন্ত Space ফ্রি দেয়া হবে। তবে এই 3GB পূর্ণ হওয়ার পর আপনার প্রয়োজনানুসারে জায়গা কিনে নিতে হবে।
  • তারা নিয়মিত আপনার সাইট Backup করবে। এ নিয়ে আপনাকে কোন চিন্তা করতে হবে না।
 WordPress.Com এর অসুবিধা
  • আপনার ব্লগে তাদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন শো করবে। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি বিজ্ঞাপনগুলি সরাতে চান তাহলে টাকা পরিশোধ করতে হবে।
  • আপনার ব্লগে প্রতি মাসে ২৫,০০০ এর বেশী Page View না পাওয়া অবধি নিজের পছন্দমত কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন না। তারপর যদিও আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে দেবে কিন্তু আপনার বিজ্ঞাপন হতে আয়ের ৫০% তাদের দিতে হবে।
  • এটিতে আপনি কোন ধরনের Plugins ব্যবহার করতে পারবেন না। আর আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন যে, WordPress এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে বিভিন্ন Plugins.
  • আপনি ইচ্ছে করলেও এটিতে কোন প্রকার Custom Theme ব্যবহার করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্লগকে প্রফেশনাল Look দিতে বড় অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে।
  • এটিতে কোন প্রকার Custom Analytics Software ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ এটি আপনাকে কোন Custom Code ব্যবহার করতে দেবে না।
  • আপনি যদি তাদের Term of Service এর কোন প্রকার নিয়ম ভঙ্গ করে কোন কাজ করেন, তাহলে যে কোন সময় আপনার সাইটটি ডিলিট করে দিতে পারে।
  • আপনার কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই সাইটের Theme পরিবর্তন করতে পারে। কারণ এই Theme গুলি Full Control থাকে Developer দের হাতে।
  • আপনার Themes এর Upgrade এর সুবিধা ভোগ করার ক্ষেত্রে টাকা পরিশোধ করতে হবে। তাহলেই কেবল Themes Upgrade করার সুযোগ দেবে।
 WordPress.Org এর সুবিধা
  • এটির Full Control আপনার হাতে থাকবে। সকল প্রকার ডাটার মালিক কেবল আপনি থাকবেন। এটি বন্ধ বা চালু রাখা সম্পূর্ণ আপনার নিজের উপর ডিপেন্ড করবে। আপনার কোন বিষয়ে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
  • সবকিছু আপলোড এবং হাজার হাজার Plugins ব্যবহার করতে পারবেন।
  • সকল ধরনের Custom Theme Install ও আপনার পছন্দমত Modify করতে পারবেন।
  • কোন ধরনের সমস্যা ছাড়াই যে কোন সময় আপনার Hosting অন্যত্র পরিবর্তন করতে পারবেন।
  • আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে অনলাইন হতে আয় করতে পারবেন।
  • Custom Analytics এবং Tracking ব্যবহার করতে কোন অসুবিধা হবে না।
  WordPress.Org এর অসুবিধা
  • অন্য আরো সাধারন ওয়েবসাইটেরমত ভালমানের Hosting কিনে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে মাসিক ০৩-০৮ ডলার গুনতে হবে।
  • সকল প্রকার Upgrade এর জন্য আপনি নিজেই দায়ি থাকবেন।
  • ডাটা Backup এর দায়বদ্ধতাও আপনাকে বহন করতে হবে।
  • কোন প্রকার Spamming বা Virus এর আক্রমন থেকে রক্ষা করার জন্য আপনাকে সদা-সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। তা না হলে যে কোন সময় আপনার ওয়েব ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে।
 আপনার কোনটি ব্যবহার করা উচিত?
আপনি যদি সাধারণভাবে অনলাইন হতে কোন টাকা পয়সা আয় করার চিন্তা না করে শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত ব্লগ হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তাহলে অনায়াসে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে WordPress.Com ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্লগিংকে যদি আপনি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান কিংবা ব্লগিং করে অনলাইন হতে টাকা আয় করতে চান, তাহলে অবশ্যই আমি সবাইকে বলব কিছু টাকার বিনিময়ে হলেও WordPress.Org ব্যবহার করবেন। তাপরও যদি আপনি ভাবেন দুটির কোনটি ব্যবহার করবেন তাহলে বিষয়টি নিত্যান্ত আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা । জানিনা আপনাদের কতটুকু বুঝাতে পেরেছি । তবুও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করে তাকেও জানার সুযোগ করে দিন । তবেই আমাদের লিখা সার্থক হবে । আর আমরা আরও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহ পাবো ।

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতে, বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।
আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...

WordPress.Com এবং WordPress.Org এই দুই এর মধ্যে পার্থক্য কি ? WordPress.Com এবং WordPress.Org এই দুই এর মধ্যে পার্থক্য কি ? Reviewed by CEO on Thursday, July 11, 2019 Rating: 5
Ads by TechRajjo

যেকোনো সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কী নিজেই খুজে নিন

Thursday, July 04, 2019
হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

** প্রথমে এখানে ক্লিক করুন তারপর যে পেজ ওপেন হবে , সেখানে বাম পাশে সার্চ বক্স পাবেন সেখানে আপনি যে সফটওয়্যারেরে সিরিয়াল কী চান তার ফুল নাম লিখে সার্চ করুন । এবার দেখুন নিচে Download এবং Serials নামে অনেক ফাইল হাজির হয়েছে । এর মধ্যে আপনি Serials অপশন এর যেটি আপনার দরকার তাতে ক্লিক করুন , ক্লিক করলেই একটি নতুন ট্যাব ওপেন হবে, সেখানে পেয়ে যাবেন আপনার সিরিয়াল কী ।

বিদ্রঃ যেসকল সফটওয়্যার এর Registration  এর জন্য Email  অথবা Online activation  এর দরকার হয় না কেবল মাত্র একটা key এর দরকার সে সকল সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে এই সাইট টি খুব কাজে দেবে। অর্থাৎ Registration  এর পর যদি online verification  না লাগে সেক্ষেত্রে এই Website  থেকে পাওয়া Serial key  কাজ করবেই।

এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা । জানিনা আপনাদের কতটুকু বুঝাতে পেরেছি । তবুও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করে তাকেও জানার সুযোগ করে দিন । তবেই আমাদের লিখা সার্থক হবে । আর আমরা আরও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহ পাবো ।

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতেবুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবোইনশাআল্লাহ।
আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুনসুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...
যেকোনো সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কী নিজেই খুজে নিন যেকোনো সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কী নিজেই খুজে নিন Reviewed by CEO on Thursday, July 04, 2019 Rating: 5

কোন ঝামেলা ছাড়া যেকোনো ফাইল শেয়ার করুন

Wednesday, July 03, 2019
হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

হ্যাঁ বন্ধুরা এখন কোন ঝামেলা ছাড়া যেকোনো ফাইল শেয়ার করতে পাবেন আপনার বন্ধু কে, এর জন্য আপনার এবং আপনার বন্ধুর Email থাকতে হবে, ব্যাস তাহলেই হবে।

এর জন্য প্রথমে একটি ওয়েব সাইট ওপেন করতে হবে সাইট টি হল >>wetransfer>> সাইট ওপেন হলে উপরের চিত্রের মত আসবে, Add file এ ক্লিক করে যে ফাইল পাটাতে চান সেটি Add করুন, তারপর Enter friend email এ আপনার বন্ধুর email টি টাইপ করুন নীচে enter your email address এর যাই গাই আপনার email টাইপ করুন, Message লিখুন না লিখতেও পারেন সে টি আপনার ব্যাপার, এবার Transfer বাটন এ ক্লিক করে ফাইল পাটিয়ে দিন।


এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা । জানিনা আপনাদের কতটুকু বুঝাতে পেরেছি । তবুও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করে তাকেও জানার সুযোগ করে দিন । তবেই আমাদের লিখা সার্থক হবে । আর আমরা আরও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহ পাবো ।

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতেবুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবোইনশাআল্লাহ।

আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুনসুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...
কোন ঝামেলা ছাড়া যেকোনো ফাইল শেয়ার করুন কোন ঝামেলা ছাড়া যেকোনো ফাইল শেয়ার করুন Reviewed by CEO on Wednesday, July 03, 2019 Rating: 5

সহজ পদ্ধতিতে আপনার পিসির গত বাড়ান

Tuesday, July 02, 2019
হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।


১) স্টার্ট > run এ গিয়ে tree লিখে Enter করুন।

২) স্টার্ট > run এ গিয়ে Temp লিখে Enter করুন, যেসকল ফাইল আসবে সব ডিলিট করে দিন।

৩) স্টার্ট > run এ গিয়ে %Temp% লিখে Enter করুন যেসব ফাইল আসবে সব ডিলিট করুন, আর যেগুলি ডিলিট হবেনা সেগুলি রেখেদিন।

৪) স্টার্ট> Search বক্স এ Bak লিখে Enter করুন, এবার ব্যাক আপ ফাইল গুল ডিলিট করুন।

৫) স্টার্ট> Search বক্স এ Recent লিখে Enter করুন, Recent ফাইল গুলি ডিলিট করুন।

৬) এ ছাড়া হার্ডডিস্ক এর উপর মাউস এর ডান ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন তারপর Disk Cleanup এ ক্লিক করে হার্ডডিস্ক পরিস্কার করে নিন, এই ভাবে প্রতিটি হার্ডডিস্ক এ করতে হবে।

৭)এ ছাড়া Cclener বা TuneUp utilities সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন এবং নিয়মিত ব্যবহার করুন আশাকরি আপনার পিসিটির কিছু টা হলেও স্পীড বাড়বে।


এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা । জানিনা আপনাদের কতটুকু বুঝাতে পেরেছি । তবুও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করে তাকেও জানার সুযোগ করে দিন । তবেই আমাদের লিখা সার্থক হবে । আর আমরা আরও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহ পাবো ।

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতেবুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবোইনশাআল্লাহ।
আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুনসুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...
সহজ পদ্ধতিতে আপনার পিসির গত বাড়ান সহজ পদ্ধতিতে আপনার পিসির গত বাড়ান Reviewed by CEO on Tuesday, July 02, 2019 Rating: 5

রান এ যুক্ত করুন আপনার দরকারি যত ফাইল আছে সবগুলি

Monday, July 01, 2019
হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

আজ আপনদের সাথে একটি আতি সাধারণ টিপস শেয়ার করব, আমরা notepad etc run এ টাইপ করলেই অতি সহজেই পেয়ে যাই, সেগুলো পাওয়া যাই কারন সেগুল পিসি তে সেট আছে বলে, ক্যামন হয় যদি আপনি আপনার পছন্দের ফাইল ফোল্ডার run এ সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন, এর জন্য আপমাদের একটু কাজ করতে হবে। আমি স্টেপ বাই স্টেপ বলছি>>>যে ফাইল বা ফোল্ডার টি দিয়ে কাজ করতে চান সেটাকে create shortcut এ ক্লিক করে shortcut file বানিয়ে নিন এবার ফাইল টি কে rename করে আপনার পছন্দের নাম দিন, এবার সেই ফাইল টি কে cut করে Local Disk (C) তার পর Windows ফাইল এ past করুন। এবার run এ আপনার ফাইল টি যে নামে সেভ করে ছিলেন সেই নাম টি টাইপ করে enter করুন এবার দেখুন মজা।

এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা । জানিনা আপনাদের কতটুকু বুঝাতে পেরেছি । তবুও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করে তাকেও জানার সুযোগ করে দিন । তবেই আমাদের লিখা সার্থক হবে । আর আমরা আরও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহ পাবো ।

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতেবুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবোইনশাআল্লাহ।

আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুনসুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...
রান এ যুক্ত করুন আপনার দরকারি যত ফাইল আছে সবগুলি রান এ যুক্ত করুন আপনার দরকারি যত ফাইল আছে সবগুলি Reviewed by CEO on Monday, July 01, 2019 Rating: 5

আপনার ফাইল ডিলিট করার পর যায় কোথায়? পরে আবার ফিরিয়ে আনার কৌশল এখুনি জেনে নিন

Saturday, June 15, 2019
হার্ড ডিস্ক, মেমোরি কার্ড, পেনড্রাইভ এগুলো ছাড়া আমাদের জীবন এখন অচল। এগুলোর গুরুত্ব সময়ের সাথে সাথে অত্যন্ত বেড়ে চলেছে। কত স্মৃতি, কত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এতে রাখি আমরা। এই মেমোরি গুলোর স্পেস আনলিমিটেড হয় না। তাই চাইলেও জীবনের সব স্মৃতি এতে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় না। এই জন্য আমরা আমাদের অপ্রয়োজনীয় তথ্য/ডাটা গুলো ডিলেট করে মেমোরির স্পেস ফাঁকা করে আবার সেখানে নতুন তথ্য/ ডাটা ওভার রাইট করে সংরক্ষণ করি। কিন্তু কখনও ভেবেছেন কি, যখন এই তথ্য/ডাটা/ফাইল/ফোল্ডার গুলো ডিলেট করা হয় তখন আপনার ডিভাইসের মেমোরির কি কি পরিবর্তন হয়? কিভাবে তথ্য গুলো মুছে যায় যার কারণে সেখানে আবার নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়? কি হয় ডিলেট হওয়া তথ্য গুলোর? সেগুলো তো উড়ে হারিয়ে যায় না। জি, আমি জানি এখন আপনি অনেক কিছুই ভাবছেন। আচ্ছা চলুন এতো কষ্ট করে ভাবতে হবেনা আপনাদের। এজন্য প্রথমেই জানতে হবে মেমরি বা হার্ডড্রাইভ বা পেনড্রাইভে কিভাবে ফাইল সংরক্ষণ করা হয়!


যেভাবে তথ্য সংরক্ষণ/রাইট করা হয়

কম্পিউটার Hard disk এ কোন আলাদা আলাদা চৌম্বুক লোহা থাকে না, এতে সবগুলো একসাথে মিশে থাকে। প্রত্যেকটি তথ্যের বিট একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে সাজানো থাকে, এবং এই প্যাটার্ন গুলো দিয়ে একটি গোলাকার পথ তৈরি হয় যাকে ট্র্যাক বলা হয়। প্রত্যেকটি ট্র্যাকে ক্ষুদ্রতর অংশ থাকে, যাকে সেক্টর বলা হয়। কোন সেক্টর গুলো ব্যবহার করা হয়েছে এবং কোন গুলো এখনো ফাঁকা রয়েছে তা নির্ধারণ করার জন্য হার্ড ডিস্ক এর কাছে একটি ম্যাপ থাকে। উইন্ডোজ কম্পিউটারে এই ম্যাপকে ফাইল অ্যালোকেশন টেবিল বা এফএটি (FAT) বলা হয়।যখন আপনার কম্পিউটার কোন নতুন তথ্য সংরক্ষিত করতে চায়, তখন এটি ম্যাপ থেকে ফাঁকা সেক্টর গুলো খুজে বের করে। তারপর সেই সেক্টরে ডাটা Read/Write হেডকে পৌঁছিয়ে দেয় এবং রাইট করার কমান্ড দিয়ে দেওয়া হয়।

যেভাবে তথ্য রিড করা বা দেখা হয়

Data read করার জন্য ঠিক রাইট করার উল্টা প্রসেস খাটানো হয়। এতো ছোট জায়গার মধ্যে এতো বিশাল পরিমাণের তথ্য ধারণ করার ক্ষমতা রাখার জন্য হার্ড ডিস্ককে সত্যিই এক অসাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং বলা চলে। এটি একই সাথে কয়েকশত সিডির মিউজিককে একটি ছোট বাক্সে সংরক্ষিত করার সুবিধা প্রদান করে, তবে এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে। যেমন— এর প্লেটারে একটি ক্ষুদ্র বালুকণা পড়লেও এটি অকেজো হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া এটি যেহেতু একটি Electro-mechanical ডিভাইস তাই এটির হেড চলতে চলতে কোন কারণে অকেজো হয়ে যেতে পারে, একে ডিস্ক ক্র্যাশ বা হেড ক্র্যাশ বলা হয়, আর এর ফলে আপনি হার্ডড্রাইভে থাকা সকল তথ্য হারিয়ে ফেলতে পারেন। তো আপনি যখন কোন ফাইল ওপেন করেন কিংবা কম্পিউটারে যে কোন কাজ করেন, তখন প্রত্যেকটি ডাটাকে হার্ড ডিস্ক বারবার খুঁজে বের করে দেয়।

ধরুন, আপনি কম্পিউটারে একটি Picture খুললেন, তো আপনার CPU হার্ডড্রাইভ ডিস্ককে বলে দেবে যে ঠিক কোথায় বা কোন সেক্টরে সেটিকে খুঁজতে হবে, এবার হার্ড ডিস্কে এর প্লেটারটি প্রচণ্ড জোরে ঘুরতে আরম্ভ করবে এবং প্রায় ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে ইমেজটিকে খুঁজে বের করে সিপিইউ এর কাছে পাঠিয়ে দেবে। আর একেই ডাটা রীড করা বলা হয়। সিপিইউ সেই ইমেজটি গ্রহণ করবে এবং আপনার স্ক্রীনে সেটিকে প্রদর্শিত করানোর জন্য প্রসেসিং করবে। এখন ইমেজটি এডিট করার কথা ভাবুন। আপনি কোন ইমেজকে যখন কোন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যারে ওপেন করে রাখেন তখন সেটি অলরেডি হার্ড ডিস্কে সেভ থাকে, কিন্তু যখন ইমেজটি এডিট সম্পূর্ণ করে করে নতুন করে সেভ করবেন তখন রীড-রাইট হেড আগের ইমেজটির অবস্থানে যাবে এবং এর উপরে নতুন ইমেজটির ডাটাকে ওভাররাইট করে দেবে, একে বলা হয় ডাটা ওভার রাইট প্রসেস।

হার্ডডিস্কের তথ্য ডিলিট করার পর যা ঘটে

ডাটা রিড রাইট তো বুঝলেন এইবার চলুন ডাটা মুছে ফেলা বা ডিলেট নিয়ে জানা যাক। আমরা প্রতিদিনই প্রচুর তথ্য রিড রাইট করার পাশাপাশি ডিলেট করেও থাকি। এখন কথা হচ্ছে এই ডিলেট করা ফাইল কোথায় যায় তাই তো? কোন ক্লিনার কর্মী এসে নিয়ে যায় না এই ডিলেট করা তথ্যগুলো আবর্জনা হিসেবে। আসলে আমরা যখন কোন তথ্য ডিলেট করি তখন হার্ড ডিস্কের ওই ডাটার উপর উচ্চ মাত্রায় UV রশ্মি ফেলা হয় মুছে ফেলতে। তাই তখন ওই স্থান হতে ডাটা গুলো হাল্কা হয়ে দুর্বল হয়ে যায়। কম্পিউটারে ডাটা গুলো ডিজিটাল (Binary) সিগন্যাল ০ এবং ১ আকারে থাকে। হার্ড ডিস্কে যখন UV রশ্মি ফেলে ডাটা মুছে ফেলা হয় তখন এই ০ এবং ১ এর রিড গুলো এতোটাই দুর্বল হয়ে যায় যে কম্পিউটার প্রসেসর সেগুলোকে আর কাউন্ট করতে চায় না। সাধারণত উচ্চ সিগন্যাল গুলোকে রিড করতেই প্রসেসর গুলোকে প্রোগ্রাম করা হয়। তো এই ভাবে একটা ডাটাকে মুছে ফেলা হয় হার্ড ডিস্ক থেকে।

কিন্তু মজার বিষয় হলো আপনি যখন কোন ডাটাকে ডিলেট করে রিসাইকেল বিনে পাঠান তারপর আবার চিরতরে ডিলেট করে দেন এই রিসাইকেল বিন থেকে তখন হার্ড ডিস্ক থেকে UV দ্বারা ডাটা মুছে গেলেও তা কিন্তু সম্পূর্ণ মুছে যায় না। ওই যে একটু আগে বললাম ডাটা সিগন্যাল গুলো জাস্ট দুর্বল হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার প্রসেসর এই দুর্বল সিগন্যাল কে ইগনোর করে অনুমতি প্রদান করে হার্ড ডিস্কে ডাটা ওই স্থানে ওভার রাইট করার। এইভাবে আপনি যতবার ডাটা রাইট আর ডিলেট করবেন ততবার একই কাজ হবে এবং প্রতিবার ওই স্থানে ডিলেট হয়ে যাওয়া তথ্য গুলো দুর্বল সিগন্যালে পরিণত হবে। এই ডিলেট হয়ে যাওয়া ডাটা গুলোকে হার্ড ডিস্ক MFT ( master file table) কোড দ্বারা মনে রাখে। ফলে আপনি হাজার বার কিংবা কোটি বার ফাইল রাখেন আর ডিলেট করেন হার্ড ডিস্কের কোন যায় আসে না সেই মুহূর্তে।

তবে বিশেষজ্ঞগণের মতে একই স্থানে ৬০ ০০ ০০ ০০ ০০০ বারের বেশি তথ্য রাখা কিংবা মুছা হলে UV দ্বারা ওই স্পেস টি ব্যাড সেক্টোর হিসেবে পরিণত হয়। যাইহোক, আমার মনে হয় না কেউ এতবার তথ্য ওখানে রাখবে আর মুছবে। এর আগেই তার পিসি হয়তো স্বর্গে চলে যাবে ( হাহাহা ) । আমরা প্রায় শুনে থাকি যে ফাইল রিকোভারি দিয়ে ডিলেট হয়ে যাওয়া ডাটা/ ফাইল উদ্ধার করা হয়েছে বা ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। আসলে এই মাস্টার ফাইল টেবিল দ্বারা এই কাজটা করা হয়। মাস্টার ফাইল টেবিল দ্বারা আপনি ডিলেট হয়ে যাওয়া যেকোনো ফাইল/ ডাটা ফিরিয়ে নিয়ে এসে আগের মত ব্যবহার করতে পারেন। তবে বেশি মাত্রায় এই ডাটা রিকোভারি বা ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার গুলো না ব্যবহার করাই ভালো।

পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডের তথ্য ডিলিট করার পর যা ঘটে

শুনলে হয়তো অবাক হবেন যে, পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ড কেনার সময় থেকেই পরিপূর্ণ লোড করা থাকে। এখানে লোড করা বলতে উক্ত মেমরি ডিভাইসটি বাইনারি ০ আর ১ দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে। আমরা এটাও জানি যে, যে কোন তথ্য মেমরি ডিভাইসগুলোতে বাইনারি ০ আর ১ আকারে সাজানো থাকে। ধরুন, আপনার কাছে যে পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডটি আছে সেটি কেবল মাত্র বাজার থেকে কিনে নিয়ে আসলেন। যেহেতু এটা পরিপূর্ণ লোড আছে বললাম তাহলে মনে করুন এটার বাইনারি কম্বিনেশন ০১১১০০০০১০১০১১০০০১০১১ এরকম দেখতে। এই কম্বিনেশনটি জাস্ট আনলিংক করা আছে আপনার পিসির বা ফোনের সিপিউর সাথে ফলে দেখতে পাচ্ছেন না। এখন ধরুন উক্ত পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডে একটি ভিডিও ফাইল রাখবেন যেটার বাইনারি কম্বিনেশন মনে করুন ১০১০১০০১। তো, যখন এই ভিডিও ফাইলটি আপনার পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডে স্থানান্তর করছেন কপি বা কাট করে তখন পেনড্রাইভের এই ০১১১০০০০১০১০১১০০০১০১১ কম্বিনেশনটি চেঞ্জ হয়ে যাবে।

ফাইল বা ফোল্ডার ডিলিট করার পর যায় কোথায়

প্রথম দিকের কম্বিনেশনগুলো ১০১০১০০১ দ্বারা রিঅ্যারেঞ্জ হয়ে যাবে এবং সেটা সিপিউর সাথে লিংকিং করা থাকবে ফলে দেখতে পাবেন যে তথ্যটি আছে। লক্ষ করুন পুরো পেনড্রাইভটির মাত্র প্রথম দিকের কিছু বাইনারি কম্বিনেশন শুধু রিঅ্যারেঞ্জ হবে কারণ ভিডিও ফাইলটির বাইনারি সংখ্যা পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডের টোটাল সংখ্যা থেকে অনেক কম। পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডের যে বাইনারিগুলো রিঅ্যারেঞ্জ হবে সেটি হল দখলকৃত জায়গা আর বাকিগুলো হল ফাঁকা জায়গা। এখন যদি উক্ত ভিডিওটি ডিলিট করে দেন তাহলে ঐ বাইনারী কম্বিনেশন রয়েই যাবে, শুধুমাত্র সিপিউর সঙ্গে সেটার লিংকিং থাকবে না। ফলে দেখতে পাবেন না। এখন যদি নতুন করে কোন ফাইল উক্ত পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডে রাখেন তাহলে আগের ভিডিওর বাইনারি কম্বিনেশন পরের ফাইলের বাইনারি কম্বিনেশন দ্বারা রিঅ্যারেঞ্জ হয়ে যাবে যদি উক্ত পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডে যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা না থাকে। তো, একবার ফাইল ডিলিট করার পর যদি উক্ত পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ডে আর নতুন কিছু না রাখেন তাহলে আগের সকল ফাইলগুলোর লিংক ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার দ্বারা পুনরায় লিংকিং করে যাবে ফলে আপনি ডিলিট হওয়া ফাইল ফিরে পাবেন।

পরিশেষে, বলবো যদি আপনারা কখনো আপনাদের পুরনো ডিভাইসে মেমোরি বা হার্ড ড্রাইভ কাউকে দেন বা বিক্রি করে দেন তাহলে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন তাতে আপনার কোন সিক্রেট সেনসিটিভ ডাটা আছে কি না। কারণ এগুলো আপনি যতই ভালো করে ডিলেট করুন না কেন তা আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসার মত বর্তমান প্রযুক্তি যথেষ্ট এগিয়েছে। আমি পরামর্শ দিবো মেমোরি/ হার্ড ড্রাইভ কখনোই বিক্রি বা কাউকে দিবেন না এতে আপনি ভবিষ্যতে অন্তত ব্লাক মেইল হওয়ার হাত থেকে সুরক্ষিত থাকবেন। আর আপনার যদি এই হার্ড ড্রাইভ বা মেমোরি গুলো একান্তই প্রয়োজন না হয় তাহলে এগুলো নষ্ট করে দিন বা ভেঙ্গে পুড়িয়ে ফেলুন। আজকের পোস্ট টি কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আর কিছু জানার থাকলে বা আমাদের কিছু জানানোর থাকলে অবশ্যই জানাবেন।

উপরোক্ত বিষয়টি পছন্দ হলে লাইক দিন, উপকারী মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।
আপনার ফাইল ডিলিট করার পর যায় কোথায়? পরে আবার ফিরিয়ে আনার কৌশল এখুনি জেনে নিন আপনার ফাইল ডিলিট করার পর যায় কোথায়? পরে আবার ফিরিয়ে আনার কৌশল এখুনি জেনে নিন Reviewed by CEO on Saturday, June 15, 2019 Rating: 5

আপনি কি জানেন যে ভবিষ্যৎ কম্পিউটার কেমন হবে? না জানলে এখুনি জেনে নিন

Friday, June 14, 2019
ভবিষ্যৎ কম্পিউটার কেমন হবে তা নিয়ে আলোচনা করবো। আমরা অনেকে জানি কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ তিনি কম্পিউটার বানানোর ফর্মুলা তৈরি করেছিলেন। এ কম্পিউটার প্রজন্ম হিসেবে পরিবর্তন হয়ে আসসে।সর্ব প্রথম এ কম্পিউটার শুধু মাত্র হিসাব গননার কাজে ব্যবহার করা হতো।

কিন্তু বর্তমানে এ কম্পিউটার দ্বারা বিভিন্ন কাজ করতে পারি। যেমন, গুরুত্বপুর্ন ফাইল, ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা যায়। আমরা যে কম্পিউটার বর্তমানে ব্যবহার করি সে কম্পিউটার আর থাকবে না। কারন, আমাদের ট্রাডিশনাল ট্রানজিস্টর বেসড সিস্টেম থেকে সম্পুর্ণ আলাদা। এটি কোয়ান্টাম মেক্যানিকালের সুত্র গুলো ব্যবহার করে ডাটা অপারেশন করতে পারে। এর থিওরিক্যাল মডেলের নাম হচ্ছে কোয়ান্টাম টিউনিং মেশিন। বাহ্যিক দিক থেকে হয়তো কেউ এ কম্পিউটারকে আলাদা করে দেখবে না।

কিন্তু যখন এই কম্পিউটিং এর বিট বাইট এর কোনো হিসাব পাবেন না তখন বঝতে পারবেন আমরা কি ব্যবহার করছি? আসলে কোয়ান্টাম কম্পিউটারেও বিট থাকে যাকে আমরা কোয়ান্টাম বিট বলতে পারি। যেমন ধরা যাক, একটি ৮ বিট কম্পিউটারে ২৫৬ রকম পজিষন থাকতে পারে। একক সময়ে তো ৮ বিটের কোয়ান্টাম কম্পিউটার সেই ২৫৬ কিউবিট পজিশন থাকে।

মানুষের স্নায়ু কোষ যেভাবে গঠিত হয় এবং স্নায়ু কোষ গুলো পরস্পরের সঙ্গে যেভাবে যোগাযোগ করে সেই পদ্ধতি ব্যবহার করে ভবিষ্যত এর কম্পিউটার তৈরি হবে। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের কাজ। এটি কখনো আসল স্নায়ু কোষের মতো কাজ করে না। ইউনিভার্সিটি অব পি-মাউথের কম্পিউটার বিজ্ঞানী টমাস ওয়েনেকারস স্নায়ু কোষের গঠন পদ্ধতি ও কার্যক্রম অনুকরণ করে কম্পিউটার তৈরির চেষ্টা করছেন। ওয়েনেকারস বলেন, স্নায়ু কোষের গঠন পদ্ধতি অনুকরণ করে কম্পিউটার তৈরি করলে সেন্সরি নেটওয়ার্ক আরো শক্তিশালী হবে। এটি তিনি আশা করেন। ওয়েনেকারের মতো আরেক ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্টিভ ফারবার স্নায়ু কোষের গঠন পদ্ধতি অনুকরণ করে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরির চেষ্টা করছেন। ম্যানচেস্টারের এ বিজ্ঞানী বলেন, আমি চাই অদুর ভবিষ্যতে এমন কম্পিউটার তৈরি করতে, যা আচরণ ও অনুধাবন করবে মানুষের মতো। ভবিষ্যতে এ ধরনের কম্পিউটার এর প্রয়োজন প্রচন্ডভাবে অনুভুত হবে।

স্ট্র্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ভাষ্য, ট্রান্সক্রিপ্টর নামের জৈব ট্রাঞ্জিস্টরটি ডিএনএর মধ্যকার এনজাইমের প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করতে পারে। আর এ ধরনের বৈশিষ্টকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা সম্ভব নতুন কম্পিউটার ।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব প্রকৌশলী জেরমি বনেটের তত্ত্বাবধানেই একটি গবেষনা করা হয়। তিনি বলেন, জিনভিত্তিক কম্পিউটার তৈরিতে ট্রান্সক্রিপ্টরই মুল ভুমিকা রাখবে। এককভাবে অবশ্য এ ট্রান্সক্রিপ্টর গুলো কোনো ধরনের গননা কাজ করতে সক্ষম নয়। তবে সম্মিলিতভাবে এগুলো যৌক্তিক যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম; যা কম্পিউটারের অন্যতম মুল নীতি হিসেবে কাজ করতে পারবে।

সাধারণ কম্পিউটারের অন্য দুটি মুল নীতি হচ্ছে তথ্য মজুদ ও বিনিময়। ট্রান্সক্রিপ্টর বানানোর জন্য প্রাকৃতিক প্রোটিনের একটি অংশকে বেছে নেন গবেষকরা। কোষের মুল কাজ করে থাকে প্রোটিন আমিষ। এ প্রোটিন আমিষগুলোকে ব্যবহার করে ডিএনএ অনুর আরএনএ পলিমিরাস অংশে এনজায়িমের প্রবাহ নিয়ন্ত্রনে সক্ষম হন তারা।

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা এমন কম্পিউটার তৈরি করবে, যা হবে মানুষের মতো অনুভুতিসম্পন্ন। এটি নিজে দেখেশুনে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিধান্ত নিতে সক্ষম হবে। বিস্ময়কর শোনালেও সত্য যে, এতে থাকবে মানুষের মতো পাঁচটি ইন্দ্রিয়ের অনুভুতি শনাক্ত করার প্রযুক্তি। এই পঞ্চ ইন্দ্রীয়ের ফলে কম্পিউটারটি দেখা, শোনা, গন্ধ, স্বাধ এবং স্পর্শের অনুভুতি সহজে বুঝতে পারবে।আইবিএম গবেষক বার্নি মেয়ারসন বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আইবিএম গবেষকরা একসঙ্গে উন্নত পেযুক্তির অনুভুতি সম্পন্ন কম্পিউটার তৈরির কাজ করছেন। কিন্তু সে দিন আর বেশি দূর নয়, যখন কম্পিউটার মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম হবে।

কম্পিউটারের প্রাণ হচ্ছে মাল্টিপ্রসেসর। এই প্রসেসর তথা কম্পিউটার চিপ বানানো সবচেয়ে কঠিন কাজ। এটি ক্ষুদ্র যন্ত দিয়ে আর কোনো প্রতিষ্ঠান কাজ করে না। আর এ ছোট জিনিসটার ওপরেই কিন্তু আজকের তথ্য প্রযুক্তি তথা মানব সভ্যতা ধীরে ধীরে নির্মিত হচ্ছে। ডুয়াল কোরের চিপ দিয়ে দ্রুতই যেটি পৌছে গেলো চার কোরের চিপে। মাল্টকোর মেশিনের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো অন্তর্নিহিতভাবেই এরা সিগন্যাল কোর মেশিনের চাইতে শক্তি ব্যবহারেবেশি দক্ষ। এখন হাজার কোরের চিপও বোধ হয় আর বাশি দূরে নয়। তবে কল্পনা হলেও এর কিছু বাস্তব ইজ্ঞিত রয়েছে। কারন, মানুষ এক সময় টাচস্কিনের কথা সপ্নেও ভাবিনি। আর সে কল্পনার ওপর ভিত্তি করেই নতুন সপ্ন পুরণ করার চেষ্টা করছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা।
আপনি কি জানেন যে ভবিষ্যৎ কম্পিউটার কেমন হবে? না জানলে এখুনি জেনে নিন আপনি কি জানেন যে ভবিষ্যৎ কম্পিউটার কেমন হবে? না জানলে এখুনি জেনে নিন Reviewed by CEO on Friday, June 14, 2019 Rating: 5

আপনার ব্লগে যুক্ত করুন Stylish Page Number Navigation

Thursday, June 13, 2019

হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

সব ধরনের ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটেই একটি Page Number Navigation যুক্ত করার প্রয়োজন হয়। কারণ ব্লগ পোষ্টের এক পাতা থেকে অন্য পাতায় যাওয়ার জন্য এই Page Number Navigation ব্যবহার করতে হয়। এই Page Number Navigation ছাড়া আপনা ব্লগ কোনভাবেই পূর্ণতা পাবে না। ভিজিটররা নিঃসন্দেহ ভাববে যে, আপনার ব্লগটি কোন কাজেরই নয়। ফলে অনেকেই আপনার ব্লগ থেকে বেরিয়ে যাবে আর আপনি আপনার ভিজিটর হারিয়ে ফেলবেন ।

কিন্তু আমি আপনাদের আজকে দেখাবো কিভাবে ব্লগে খুব সহজে একটি Page Number Navigation যুক্ত করবেন। আসলে ব্লগে Page Number Navigation যুক্ত করাটা খুব একটা সহজ কাজ নয়। এই জন্য ব্লগিং সম্পর্কে কিছু অভীজ্ঞতা থাকতে হয়। কারণ এটি যুক্ত করার জন্য আপনার ব্লগার টেমপ্লেটে কোডিং করতে হয় যেটা বিগিনারদের জন্য খুবই ঝামেলার একটা কাজ কারণ ব্লগের টেমপ্লেটে আপনি যদি কোন কোড উল্টাপাল্টা করে ফেলেন তাহলে আপনার ব্লগের ডিজাইন বাজেভাবে বদলে যেতে পারে । আর আপনি বিগিনার হওয়ার কারনে পরে সেই ডিজাইনটা ঠিক করতে নাও পারেন ।

কিন্তু আজ আমি আপনাদের যে পদ্ধতিতে দেখাবো এতে আপনার টেমপ্লেটে কোন প্রকার কাজ করতে হবে না। শুধু মাত্র আপনার ব্লগের Layout হতে Gadget ব্যবহার করেই খুবই সহজে এই Page Number Navigation টি যুক্ত করতে পারবেন। অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন যে, এত বড় কোড ব্লগে যুক্ত করলে ব্লগে লোড বেশি পড়ে যাবে । কিন্তু আমি আপনাদের বলছি এটি HTML এবং CSS দিয়ে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি ব্লগের টেম্পলেটে কোন লোড না ফেলে । এটি একদম Website Friendly করে তৈরি করা হয়েছে । তাই এটি আপনার ব্লগে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে

Blogger Page Navigation


যেভাবে Page Number Navigation যুক্ত করতে হয়ঃ
  • প্রথমে আপনার ব্লগার একাউন্টে Login করুন।
  • এরপর ব্লগের ড্যাশবোর্ড হতে বাম পাশের Layout এ ক্লিক করুন।
  • এখন ডান পাশের সাইটবার হতে Add Gadget এ ক্লিক করুন।
  • তারপর HTML/JavaScript নামের অপশনটিতে ক্লিক করুন। এতে আপনার সামনে HTML/JavaScript  এর খালি ঘর সম্বলিত একটি বক্স ওপেন হবে এখানে আপনি দুটি ঘর দেখতে পারবেন । প্রথমতি ছোট একটি ঘর যেখানে টাইটেল লেখতে হয় । আর দ্বিতীয়টি বড় ঘর যেখানে আপনাকে কোড পেস্ট করতে হবে । তবে এক্ষেত্রে আপনার টাইটেল লিখার কোন প্রয়োজন নেই ।
  • এবার নিচের সম্পূর্ণ কোডগুলি HTML/JavaScript এর বড় খালি ঘরে পেষ্ট করুন।


<style type='text/css'>

.blog-pager,#blog-pager {
font-family:"Times New Roman", Times, serif;
font-weight:normal;
font-size:12px;
width:700px;
padding:17px;
}

.showpageNum a,.showpage a {
background: rgb(15, 124, 241);
color:#FFF;
margin-right:.6em;text-decoration:none;
font-size:15px;
font-weight:bold;
line-height:0;
text-align:center;
padding:7px 13px 7px;
-moz-border-radius:36px;
-webkit-border-radius:8px;
border-radius:8px;
}

.showpageNum a:hover,.showpage a:hover {
background: rgb(0, 49, 247);
color:#000000;
margin-right:.6em;
text-decoration:none;
font-size:15px;
font-weight:bold;
line-height:0;
text-align:center;
padding:7px 13px 7px;
-moz-border-radius:36px;
-webkit-border-radius:12px;
border-radius:12px;
}

.showpageOf {
margin:0 8px 0 0;
font-family:'Coming Soon', cursive;
text-decoration:none;
font-size:100%;
}

.showpagePoint {
background: rgb(0, 49, 247);
color:#FFF;
margin-right:.6em;
text-decoration:none;
font-size:15px;
font-style:italic;
line-height:0;
text-align:center;
padding:7px 13px 7px;
-moz-border-radius:36px;
-webkit-border-radius:8px;
border-radius:8px;
}
</style>

<script type='text/javascript'>
var home_page_url = location.href;
var pageCount=2;
var displayPageNum=3;
var upPageWord ='Previous';
var downPageWord ='Next';

function showpageCount(json) {
var thisUrl = home_page_url;
var htmlMap = new Array();
var thisNum = 1;
var postNum=1;
var itemCount = 0;
var fFlag = 0;
var eFlag = 0;
var html= '';
var upPageHtml ='';
var downPageHtml ='';

for(var i=0, post; post = json.feed.entry[i]; i++) {

var timestamp1 = post.published.$t.substring(0,19)+post.published.$t.substring(23,29);
timestamp = encodeURIComponent(timestamp1);

var title = post.title.$t;

if(title!=''){
if(itemCount==0 || (itemCount % pageCount ==(pageCount-1))){
if(thisUrl.indexOf(timestamp)!=-1 ){
  thisNum = postNum;
}

if(title!='') postNum++;
htmlMap[htmlMap.length] = '/search?updated-max='+timestamp+'&max-results='+pageCount;
}
}
itemCount++;
}
for(var p =0;p< htmlMap.length;p++){
if(p>=(thisNum-displayPageNum-1) && p<(thisNum+displayPageNum)){
if(fFlag ==0 && p == thisNum-2){
if(thisNum==2){
 upPageHtml = '<span class="showpage"><a href="/">'+ upPageWord +'</a></span>';
}else{
 upPageHtml = '<span class="showpage"><a href="'+htmlMap[p]+'">'+ upPageWord +'</a></span>';
}
fFlag++;
}
if(p==(thisNum-1)){
html += '<span class="showpagePoint">'+thisNum+'</span>';
}else{
if(p==0){
  html += '<span class="showpageNum"><a href="/">1</a></span>';

}else{
 html += '<span class="showpageNum"><a href="'+htmlMap[p]+'">'+ (p+1) +'</a></span>';
}
}
if(eFlag ==0 && p == thisNum){
downPageHtml = '<span class="showpage"> <a href="'+htmlMap[p]+'">'+ downPageWord +'</a></span>';
eFlag++;
}}}
if(thisNum>1){
html = ''+upPageHtml+' '+html +' ';
}
html = '<div class="showpageArea"><span  class="showpageOf"> Pages ('+(postNum-1)+')</span>'+html;
if(thisNum<(postNum-1)){
html += downPageHtml;
}
if(postNum==1) postNum++;
html += '</div>';
var pageArea = document.getElementsByName("pageArea");
var blogPager = document.getElementById("blog-pager");
if(postNum <= 2){
html ='';
}
for(var p =0;p< pageArea.length;p++){
pageArea[p].innerHTML = html;
}
if(pageArea&&pageArea.length>0){
html ='';
}

if(blogPager){
blogPager.innerHTML = html;
}}
function showpageCount2(json) {

var thisUrl = home_page_url;
var htmlMap = new Array();
var isLablePage = thisUrl.indexOf("/search/label/")!=-1;
var thisLable = isLablePage ? thisUrl.substr(thisUrl.indexOf("/search/label/")+14,thisUrl.length) : "";
thisLable = thisLable.indexOf("?")!=-1 ? thisLable.substr(0,thisLable.indexOf("?")) : thisLable;
var thisNum = 1;
var postNum=1;
var itemCount = 0;
var fFlag = 0;
var eFlag = 0;
var html= '';
var upPageHtml ='';
var downPageHtml ='';

var labelHtml = '<span class="showpageNum"><a href="/search/label/'+thisLable+'?&max-results='+pageCount+'">';
var thisUrl = home_page_url;

for(var i=0, post; post = json.feed.entry[i]; i++) {

var timestamp1 = post.published.$t.substring(0,19)+post.published.$t.substring(23,29);
timestamp = encodeURIComponent(timestamp1);

var title = post.title.$t;

if(title!=''){
if(itemCount==0 || (itemCount % pageCount ==(pageCount-1))){
if(thisUrl.indexOf(timestamp)!=-1 ){
 thisNum = postNum;
}
if(title!='') postNum++;
htmlMap[htmlMap.length] = '/search/label/'+thisLable+'?updated-max='+timestamp+'&max-results='+pageCount;
}}itemCount++;}
for(var p =0;p< htmlMap.length;p++){
if(p>=(thisNum-displayPageNum-1) && p<(thisNum+displayPageNum)){
if(fFlag ==0 && p == thisNum-2){
if(thisNum==2){
 upPageHtml = labelHtml + upPageWord +'</a></span>';
}else{
 upPageHtml = '<span class="showpage"><a href="'+htmlMap[p]+'">'+ upPageWord +'</a></span>';
}fFlag++;}
if(p==(thisNum-1)){
html += '<span class="showpagePoint">'+thisNum+'</span>';
}else{
if(p==0){
 html = labelHtml+'1</a></span>';
}else{
 html += '<span class="showpageNum"><a href="'+htmlMap[p]+'">'+ (p+1) +'</a></span>';
}}
if(eFlag ==0 && p == thisNum){
downPageHtml = '<span class="showpage"> <a href="'+htmlMap[p]+'">'+ downPageWord +'</a></span>';
eFlag++;
}}}
if(thisNum>1){
if(!isLablePage){
html = ''+upPageHtml+' '+html +' ';
}else{
html = ''+upPageHtml+' '+html +' ';
}}
html = '<div class="showpageArea"><span  class="showpageOf"> Pages ('+(postNum-1)+')</span>'+html;
if(thisNum<(postNum-1)){
html += downPageHtml;
}
if(postNum==1) postNum++;
html += '</div>';
var pageArea = document.getElementsByName("pageArea");
var blogPager = document.getElementById("blog-pager");
if(postNum <= 2){
html ='';
}
for(var p =0;p< pageArea.length;p++){
pageArea[p].innerHTML = html;
}
if(pageArea&&pageArea.length>0){
html ='';
}
if(blogPager){
blogPager.innerHTML = html;
}}
</script>
<script type='text/javascript'>
var thisUrl = home_page_url;
if (thisUrl.indexOf("/search/label/")!=-1){
if (thisUrl.indexOf("?updated-max")!=-1){
var lblname1 = thisUrl.substring(thisUrl.indexOf("/search/label/")+14,thisUrl.indexOf("?updated-max"));
}else{
var lblname1 = thisUrl.substring(thisUrl.indexOf("/search/label/")+14,thisUrl.indexOf("?&max"));
}}
var home_page = "/";
if (thisUrl.indexOf("?q=")==-1){
if (thisUrl.indexOf("/search/label/")==-1){
document.write('<script src="'+home_page+'feeds/posts/summary?alt=json-in-script&callback=showpageCount&max-results=99999" ><\/script>')
}else{document.write('<script src="'+home_page+'feeds/posts/full/-/'+lblname1+'?alt=json-in-script&callback=showpageCount2&max-results=99999" ><\/script>')
}}
</script>
</script>
Code ID No. TRCN-5190009 Download
  • এখন Save এ ক্লিক করুন। এবার আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে দেখুন খুব সুন্দর একটি Page Number Navigation  এড হয়ে গেছে ।

কাষ্টমাইজেশনঃ
  • প্রতি পেজে কতটি পোষ্ট দেখাতে চান সেটা সেট করার জন্য উপরের কোডের  'var pageCount=2' এই লাল অংশে পরিবর্তন করুন । 
  • প্রতি পেজে কতটি বাটন দেখাতে চান সেটা সেট করার জন্য উপরের কোডের  'var displayPageNum=3' এই লাল অংশে পরিবর্তন করুন ।

এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা । জানিনা আপনাদের কতটুকু বুঝাতে পেরেছি । তবুও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করে তাকেও জানার সুযোগ করে দিন । তবেই আমাদের লিখা সার্থক হবে । আর আমরা আরও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহ পাবো ।

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতে, বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...

আপনার ব্লগে যুক্ত করুন Stylish Page Number Navigation আপনার ব্লগে যুক্ত করুন Stylish Page Number Navigation Reviewed by CEO on Thursday, June 13, 2019 Rating: 5
Powered by Blogger.