Featured Posts

[Tips & Tricks][feat1]

32 Bit or 64 Bit Operating System কি এবং কেন ?

Friday, May 10, 2019
হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

আজকে আমি যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবো সেটি হলো 32 Bit or 64 Bit Operating System বা Processore নিয়ে । আমার মনে হয় অনেকেই এই বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত থাকে যে, আমার কম্পিউটারে 32 Bit Operating System ইন্সটল দিবো নাকি 64 Bit Operating System ইন্সটল দিবো ? আবার অনেক সময় কোন সফটওয়্যার ইন্সটল দিতে গেলেও এই ৩২ বিট বা ৬৪ বিট দেখায় । তো এই জিনিসটা আসলে কি সেটা নিয়েই আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো ।

এখানে আমি আরেকটা কথা আপনাদের বলতে চাই সেটা হল – ৩২ বিট বা ৬৪ বিটের সাথে আপনারা আরেকটি নাম্বার দেখে থাকবেন সেটা হল X86 । 32 Bit আর X86 Bit এই দুইটা একই Architect  এর তৈরি করা । তাই এই দুইটাকে আমরা একদিকে রাখছি । আর আরেকদিকে হচ্ছে 64 Bit । এই দুইটা নিয়েই আজকে আমরা বিস্তারিত জানবো । চলুন শুরু করি ......

প্রথমত, ৩২ বিট আর ৬৪ বিটকে আলাদা করার কারন হচ্ছে Memory Addressing Power. ৩২ বিটে  Memory Addressing Power টা একটু কম আর ৬৪ বিটে এটা অনেক বেশি । এখানে কি বললাম সেটা নিশ্চয় আপনার মাথায় ঢুকছে না । এবার আরেকটু খোলাসা করে বলি । একটা কম্পিউটারের প্রসেসর যখন কোন ডেটাকে প্রসেস করে তখন ডেটাগুলোকে Temporary কোথাও রাখতে হয় । আর সেটার জন্য আমরা ব্যবহার করি Random Access Memory বা Ram. আমি আপনাদের আগেই বলেছি যে, ৩২ বিটে Memory Addressing Power টা একটু কম আর ৬৪ বিটে এটা অনেক বেশি । এখন এই হিসাবটা আসলে কিভাবে করা হয় ? নিচে দেখুন ......


ধরি,
1 bit (2^1) = 2 Memory Location ( ১ বিটের জন্য মেমরি লোকেশন )
2 bit (2^2) = 4 Memory Location ( ২ বিটের জন্য মেমরি লোকেশন )
3 bit (2^3) = 8 Memory Location ( ৩ বিটের জন্য মেমরি লোকেশন )
4 bit (2^4) = 16 Memory Location ( ৪ বিটের জন্য মেমরি লোকেশন )

অর্থাৎ প্রতিটা বিট ২ এর ওপর পাওয়ার হিসেবে থাকবে । এভাবে যদি আমরা ৩২ বিট পর্যন্ত যাই তাহলে যে Amount আসবে সেটা হল –

32 bit (2^32) = 4294967296 Memory Location

এত বড় সংখ্যাটাকে যদি আমরা গিগাবাইট (GB) এ কনভার্ট করি তাহলে দাঁড়ায় ৪ জিবি । অর্থাৎ ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৪ জিবি পর্যন্ত র‍্যাম ব্যবহৃত হবে । যদি আপনার কম্পিউটারে ৪ জিবির ওপরে র‍্যাম থাকে আর অপারেটিং সিস্টেম যদি ৩২ বিটের হয় তাহলে ৪ জিবির ওপরের র‍্যামটুকু ব্যবহৃত হবে না । কারণ আমরা ওপরে হিসাব করে দেখলাম যে, ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেমে সর্বোচ্চ ৪ জিবি পর্যন্ত র‍্যাম ব্যবহৃত হয় । বাকিটুকু ওভাবেই পড়ে থাকে ।

এবার যদি আমরা ৬৪ বিটের মেমরি লোকেশন হিসাব করি তাহলে যে সংখ্যাটি আসে তা হল –

64 bit (2^64) = 18446744073709551616

এত বড় সংখ্যা মুখে বলা অন্তত আমার পক্ষে সম্ভব না । তাই আমি এটিকে Exabyte এ কনভার্ট করবো । কারণ Gigabyte এ কনভার্ট করলেও সংখ্যাটি অনেক বড় দেখাবে । তবুও আপনাদের বুঝার জন্য আমি দুইটাই দেখাচ্ছি ।

64 bit (2^64) = 18446744073709551616
বা, 17179869184 GigaByte (GB)
বা, 16 ExaByte (EB)

অর্থাৎ ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেমে 16 ExaByte (EB) পর্যন্ত র‍্যাম ব্যবহৃত হবে । কিন্তু এত বড় র‍্যাম এখন আবিষ্কার হয় নি । তবে প্রযুক্তি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে একদিন হয়তো আবিষ্কার হবে কিন্তু আমাদের পক্ষে সেটা দেখা সম্ভব না । আমাদের নাতি পুতিরাও হয়তো দেখতে পারবে না । সেটা অনেক সময়ের ব্যাপার ।

অর্থাৎ সংক্ষিপ্ত কথা হচ্ছে – ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৪ জিবি পর্যন্ত র‍্যাম ব্যবহৃত হবে । আর ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেমে এখন পর্যন্ত বাজারে যত বড় র‍্যাম আছে তার সবটাই ব্যবহৃত হবে এবং সর্বোচ্চ 16 ExaByte (EB) পর্যন্ত ব্যবহৃত হবে । এখন আপনার কম্পিউটারে যদি র‍্যাম ৪ জিবি বা তার চেয়ে কম হয় তাহলে আপনাকে ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে । যদি ৬৪ বিট ব্যবহার করেন তাহলে আপনার কম্পিউটার ধীর গতিতে কাজ করবে ।

আর আপনার কম্পিউটারের র‍্যাম যদি ৪ জিবির ওপরে হয় তাহলে আপনি ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করলে অনেক ভালো পারফর্মেন্স পাবেন । যেটা ৩২ বিটে পাবেন না । কারণ ৩২ বিট অনেক পুরনো আর ৬৪ বিট Latest . এখন যদি আপনার কম্পিউটারে র‍্যাম আছে ৪ জিবি যেটা ৩২ বিটের জন্য পারফেক্ট , কিন্তু আপনি ৬৪ বিট চালাতে চাচ্ছেন, তাহলে আপনি চালাতে পারবেন তবে কম্পিউটারের কাজের গতি একটু ধীর হবে ।

অর্থাৎ সব কথার মোটকথা, ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৪ জিবি পর্যন্ত র‍্যাম ব্যবহৃত হবে আর ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেমে ৪ জিবির উপরে যত আছে সবটুকু ব্যবহৃত হবে । আরেকটি আনন্দের কথা হল এখন মোবাইলেও ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয় ।

এত বড় আর্টিকেল পড়ার পরেও আপনার মনে এখনো একটা প্রশ্ন রয়ে গেছে সেটা হল – আমার কম্পিউটারে কত বিটের অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা সেটা কিভাবে দেখবো ? এটা যদি দেখতে চান তাহলে আপনি My Computer or This PC তে মাউস নিয়ে Right Button এ ক্লিক করে সেখান থেকে Properties এ গেলে সেখানে System Type এ দেখতে পারবেন আপনার কম্পিউটারে কত বিটের অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল দেওয়া ।

এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা । জানিনা আপনাদের কতটুকু বুঝাতে পেরেছি । তবুও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করে তাকেও জানার সুযোগ করে দিন । তবেই আমাদের লিখা সার্থক হবে । আর আমরা আরও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহ পাবো ।
শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতে, বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...

32 Bit or 64 Bit Operating System কি এবং কেন ? 32 Bit or 64 Bit Operating System কি এবং কেন ? Reviewed by CEO on Friday, May 10, 2019 Rating: 5
Ads by TechRajjo

কিভাবে Blog এর Post গুলি দ্রুত সার্চ ইঞ্জিনে Index করতে হয়?

Friday, May 10, 2019

হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

আজকাল আমাদের অনেকেরই হয়তো একটা বা দুইটা ওয়েবসাইট আছে । কেউ হয়তো শখের বশে ওয়েবসাইট তৈরি করি । আবার কেউ হয়তো টাকা ইনকামের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করি । আর আমরা সবাই চাই আমাদের নিজেদের ওয়েবসাইট সকল মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করুক । আর যারা টাকা ইনকামের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে তাদের ওয়েবসাইট মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ । কারন, যার ওয়েবসাইট যত বেশি পরিচিতি লাভ করবে তার ইনকাম তত বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক । তবে ইনকামের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় । তবেই সফলভাবে ইনকাম করা যায় । ইনকামের ব্যাপারে আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো ।

যেহেতু ইনকামের কথা এসে গেছে তাই বলতেই হচ্ছে যে, ইনকাম করতে হলে অবশ্যই 
ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বাড়াতে হবে । আপনার ওয়েবসাইটের পোস্টগুলি মানুষের কাছে ভালভাবে পৌছাতে হবে আগে । আর আপনার পোস্টগুলি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজটি করে দেয় Google এর Search Engine. আর এজন্যই আপনার পোস্টগুলি Search Engine Index হওয়া জরুরি । Search Engine আপনার পোস্টগুলি যত দ্রুত index করবে তত দ্রুত আপনার পোস্টগুলি মানুষের কাছে পৌঁছাবে । কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, আমাদের পোস্টগুলি Search Engine  Index হয় না । কেন হয় না এই কথাটা একবারও ভেবে দেখেছেন কি ???

পোষ্ট Index হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হচ্ছে কোন প্রকার কপি করা কনটেন্ট ছাড়া ভাল মানের আর্টিকেল লিখা। আপনার ব্লগে খুব বেশী ট্রাফিক পাওয়ার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম যে বিষয়টি করতে হবে তা হচ্ছে Fresh, Unique এবং ভাল Quality এর কনটেন্ট লিখতে হবে। যদি এই Fresh, Unique এবং ভাল Quality এর কনটেন্ট লিখেন তাহলে Google Search Engine তাড়াতাড়ি আপনার ব্লগের পোষ্ট গুলি Index করে নেবে। আর আপনার পোষ্টের কনটেন্ট যদি হয় Useless তাহলে সার্চ ইঞ্জিন পোষ্টের কনটেন্ট গুলি Index করবে না। আর পোষ্ট Index না হওয়ার মানে হচ্ছে আপনার ব্লগের ভিজিটর কমে যাওয়া। এছাড়াও ব্লগ পোষ্ট-কে তাড়াতাড়ি Index করার জন্য নিম্নে আরও কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, যে গুলি আপনার ব্লগ পোষ্টকে সার্চ ইঞ্জিনে তাড়াতাড়ি Index হতে সাহায্য করবে।

যে ভাবে ব্লগ পোষ্ট দ্রুত Index করবেনঃ
  • ভাল মানের কনটেন্টঃ আমি আপনাদের একটু আগেই বলেছি পোষ্ট দ্রুত Index হওয়ার পূর্বশর্ত হচ্ছে ভাল মানের আর্টিকেল লিখা। আপনি যখন কনটেন্ট লিখবেন তখন এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন যে, আপনার কনটেন্ট শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনে Index হওয়ার জন্য নয়, বরং কনটেন্ট হচ্ছে পাঠকদের জন্য। অনেক লোক আছে যারা শুধু Keyword Research করে আর্টিকেল পোষ্ট করে। তারা ভাবে যে, Keyword Research করে আর্টিকেল পোষ্ট করলে বেশী ভিজিটির আসবে এবং সার্চ ইঞ্জিনে ভাল র‌্যাংকিং পাবে। আসলে এটা একটা ভূল সিদ্ধান্ত। আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনার ব্লগিং করার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ট্রাফিক বৃদ্ধি করা নয়। আপনার উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্লগে সবসময় সর্বস্তরের পাঠকদের ধরে রাখা। যাতে করে ভিজিটররা বার বার আপনার ব্লগ পড়ার জন্য ভিজিট করে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে হবে যদি আপনি আপনার পোস্টগুলি দ্রুত Index করতে চান ।
  • সাইটম্যাপ সাবমিটঃ এটি ওয়েবসাইটের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ । সাইটম্যাপ হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের সারসংক্ষেপ। এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের সকল পোষ্টগুলি  সংক্ষেপে পড়ে নিতে পারে। আপনার ব্লগ পোষ্ট তাড়াতাড়ি সার্চ ইঞ্জিনে Index হওয়ার জন্য অবশ্যই  Google, Yahoo এবং Bing ওয়েবমাষ্টার টুলে সাবমিট করে রাখবেন। Google Webmaster Tool Url Fetch করার মাধ্যমে খুবই দ্রুত আপনার পোষ্ট সার্চ ইঞ্জিনে Index করতে পারেন। আর সাইটম্যাপ এর কাজ যদি আপনি সফলভাবে করতে পারেন তাহলে এটি আপনার ব্লগের জন্য অবশ্যই সুফল বয়ে আনবে । আর এটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যখন আপনি Google, Yahoo এবং Bing এর ওয়েবমাষ্টার টুলে প্রবেশ করবেন । তবে তার আগে অবশ্যই আপনাকে সাইটম্যাপ সাবমিট করে রাখতে হবে । সাইটম্যাপ সাবমিট করা ছাড়া সাইটম্যাপের সুফল ভোগ করা নিতান্তই বোকামির পরিচয় । এখান অনেকের মনে হয়তো প্রশ্ন জেগেছে যে, সাইটম্যাপ কিভাবে তৈরি করবো ? এই প্রশ্নের উত্তর আমি ইতিপূর্বেই আমার অন্য একটি আর্টিকেলের মাধ্যমে তুলে ধরেছি । আপনি চাইলে আগে সেই পোস্টটি পড়ে আসতে পারেন । তাহলে সাইটম্যাপ সম্পর্কে আপনি সম্পূর্ণ ধারনা পেয়ে যাবেন আশা করি ।
  • ব্যাক লিংকঃ ভাল ওয়েবসাইট হতে ব্যাক লিংক এর মাধ্যমে আপনার ব্লগের ট্রাফিক বাড়িয়ে নেওয়ার সহজ উপায় হচ্ছে এটি। যেমন-আপনার ব্লগের বিষয়ের সাথে Related এমন কিছু ভালমানের ওয়েবসাইটে কমেন্ট করে ব্যাক লিংক তৈরী করে নিতে পারেন। এর ফলে ঐ লিংক এর মাধ্যমে কাঙ্খিত ওয়েবসাইট হতে আপনার ব্লগে ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়এ ছাড়া আরও কিছু উপায়ে আপনি ব্যাক লিংক বাড়াতে পারেন -  গ্যাষ্ট ব্লগিং, Internal Link তৈরী করে, বিভিন্ন Forum এ জয়েন করে, Submit RSS feed to RSS directories এবং ভাল মানের কনটেন্ট লিখে, যে কনটেন্ট এর ভাল মান দেখে অন্য কেউ আপনার পোষ্টটি শেয়ার করতে চাইবে। এখানে আমরা আরও কয়েকটি প্রশ্নের সম্মুখিন হয়েছি । সেটা হল – Backlink কি ? এটা কিভাবে তৈরি করতে হয় ? আর এর গুরুত্ব কততুকু ? আপনার এই সকল প্রশ্নের উত্তর আমি আমার অন্য একটি পোস্টে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি । আপনি চাইলে আমার সেই পোস্টটি পড়ে আসতে পারেন ।
  • Social নেটওয়ার্কিংঃ সম্প্রতি সময়ের জন্য Social নেটওয়ার্কিং হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যে কোন পোষ্ট করার পরে আপনার পোষ্টটি বিভিন্ন Social নেটওয়ার্ক এর কমিউনিটি পেজ কিংবা গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন। এর ফলে আপনার পোষ্টটি অনেক ভিজিটরের কাছে সহজেই পৌছে যাবে এবং ভিজিটররাও বুঝবে যে, এটি একটি নূতন পোষ্ট। তাছাড়া সামাজিক যোগাযোগের কিছু সাইট যেমন- Facebook এবং Twitter ছাড়া আরও বেশ কিছু সাইট রয়েছে যে গুলি Google সবসময় Index করে। এগুলিতে শেয়ার করার মাধ্যমে Google Search Engine সহজে আপনার লিংকটি পেয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এখানে আমি Google+ এর কথা বলি নি । কারন আপনারা অনেকেই জানেন যে, গুগলের এই সেবাটি গুগল এখন বন্ধ করে দিয়েছে । তবে আমি যেগুলোর কথা বলেছি, আপনি যদি সেগুলো ভালোভাবে করতে পারেন তাহলে আশা করতে পারেন যে আপনি সফল হবেন ।  
  • সাইট Pinging: পিং সাধারনত ব্যাবহার করা হয় স্পাইডার/ক্রলার/ইন্ডেক্সার কে সতর্ক করার জন্য এবং যখন কোন পেইজ আপডেট হয় বা যদি নতুন কোন পোষ্ট করা হয় তা যেন গুগল দ্রুত ইন্ডেক্স করতে পারে সেই জন্য। এক কথায় বলা যায় Ping ব্যাবহার করা হয় যাতে নতুন পোষ্ট করা ব্যাকলিঙ্ক গুলো গুগল তাড়াতাড়ি ইন্ডেক্স করতে পারে। ইন্টারনেটে অনেক ফ্রি Pinging ওয়েবসাইট রয়েছে যে গুলি আপনি ইচ্ছা করলে খুব সহজে ব্যবহার করতে পারেন। ফ্রি Pinging ওয়েবসাইটের মধ্যে জনপ্রিয় একটি সাইট হচ্ছে Ping-O-Matic. আপনি এই সাইটটি অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার করা নতুন পোস্টগুলির ব্যাকলিঙ্ক গুগল তাড়াতাড়ি ইন্ডেক্স করে নিতে পারবে যা আপনার সাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

কিছু কথাঃ আজকের এই পোস্টে আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার সবটুকু দিয়ে আপনাদের হেল্প করার চেষ্টা করেছি । জানি না কততুকু সফল হতে পেরেছি । যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন যাতে তারাও এই বিষয়গুলি জানতে পারে আর আমার লেখা সার্থক হয় । আরেকটি কথা - আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতে, বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...

কিভাবে Blog এর Post গুলি দ্রুত সার্চ ইঞ্জিনে Index করতে হয়? কিভাবে Blog এর Post গুলি দ্রুত সার্চ ইঞ্জিনে Index করতে হয়? Reviewed by CEO on Friday, May 10, 2019 Rating: 5

ব্লগারে একটি আকর্ষণীয় HTML Sitemap Page তৈরী করে নিন

Friday, May 10, 2019

হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

সাইটম্যাপ  কিঃ সাইটম্যাপ তৈরি করার আগে আমাদের জানতে হবে সাইটম্যাপ আসলে কি ? সহজ ভাষায় বলা যায় সাইটম্যাপ হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের সমুদয় পোষ্ট এর সারসংক্ষেপ। সাইটম্যাপের মাধ্যমে Search Engine সহজে বুঝে নিতে পারে যে, আপনার ব্লগে/ওয়েবসাইটে কতগুলো পোষ্ট রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে যে কোন সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের কনটেন্ট গুলি Index করে সার্চ রেজাল্টে নিয়ে আসে। এটি হচ্ছে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট সাবমিটের পদ্ধতী।  আপনার ব্লগ পোষ্ট তাড়াতাড়ি সার্চ ইঞ্জিনে Index হওয়ার জন্য অবশ্যই  Google, Yahoo এবং Bing ওয়েবমাষ্টার টুলে সাবমিট করে রাখবেন। Google Webmaster Tool Url Fetch করার মাধ্যমে খুবই দ্রুত আপনার পোষ্ট সার্চ ইঞ্জিনে Index করতে পারেন। আর সাইটম্যাপ এর কাজ যদি আপনি সফলভাবে করতে পারেন তাহলে এটি আপনার ব্লগের জন্য অবশ্যই সুফল বয়ে আনবে । আর এটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যখন আপনি Google, Yahoo এবং Bing এর ওয়েবমাষ্টার টুলে প্রবেশ করবেন । তবে তার আগে অবশ্যই আপনাকে সাইটম্যাপ সাবমিট করে রাখতে হবে ।
কিন্তু আমি যে HTML Sitemap Page টি তৈরী করা দেখাবো এটি হচ্ছে আপনার পাঠকের জন্য। যার মাধ্যমে পাঠকরা জানতে পারবে আপনার ব্লগে কতগুলি পোষ্ট রয়েছে। এ ছাড়াও আর সুবিধা হচ্ছে যে, এই HTML Sitemap Page টি প্রত্যেকটি Label-কে আলাদা আলাদাভাবে দেখাবে। যার ফলে ভিজিটররা সহজে তাদের পছন্দমত লিংকগুলি ভিজিট করতে পারবে। তাছাড়া নতুন পোষ্টগুলি অটোমেটিকভাবে Indicate করবে যে, কোন গুলি নতুন পোষ্ট। এই পোষ্টটি হয়ত বিভিন্ন ব্লগে অনেকবার করা হয়েছে। তার পরও নতুন করে শেয়ার করছি, কারণ আমি এটিতে নতুন কিছু ফিচার যুক্ত করার পাশাপাশি সব ধরনের Browsers Compatibility করেছি। যা এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। তাছাড়া বাংলা ব্লগের জন্য ফন্টের কিছু সমস্যা ছিল, তা Solve করেছি। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।


 যে ভাবে ব্লগে যুক্ত করবেনঃ
  • প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Page এ ক্লি করুন।
  • এখন Create a New Page এ ক্লিক করুন।
  • এরপর পেজটির HTML এ ক্লিক করুন।
  • নিচের কোডগুলি কপি করে HTML পেজে পেষ্ট করুন।

<style type="text/css">
#sitemap {
   width:100%;
   margin:5px auto;
   margin-left: 4px;
   border:1px solid #23A839;
   border-top:0px solid #2D96DF;
}
.label {
   color:#FF5F00;
   font-weight:bold;
   margin: -16px -1px 0px;
   padding:1px 0 2px 11px;
   background: -webkit-linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#23A839 40%); /* For Safari 5.1 to 6.0 */
   background: -o-linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#23A839 40%); /* For Opera 11.1 to 12.0 */
   background: -moz-linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#23A839 40%); /* For Firefox 3.6 to 15 */
   background: linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#23A839 40%); /* Standard syntax */
   border:1px solid #23A839;
   border-radius:0px;
   -moz-border-radius:0px;
   -webkit-border-radius:0px;
   display:block;
}
.label a {color:#fff;}
.label:first-letter {text-transform:uppercase;}
.new {
   color:#FF5F00;
   font-weight:bold;
   font-style:italic;
}
.postname {
   font-weight:normal;
   background: -webkit-linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#FFF 40%); /* For Safari 5.1 to 6.0 */
   background: -o-linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#FFF 40%); /* For Opera 11.1 to 12.0 */
   background: -moz-linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#FFF 40%); /* For Firefox 3.6 to 15 */
   background: linear-gradient(right,#6DFC85 0%,#FFF 40%); /* Standard syntax */
}
.postname li {
   border-bottom: #DDD 1px dotted;
   margin-right:5px
}
a:link {text-decoration:none;}
a:visited {text-decoration:none;}
a:hover {text-decoration:underline;}
</style>

<div id="sitemap">
<script type="text/javascript" src="https://cdn.rawgit.com/prozokti/rashid/master/sitemap.js"></script>
<script src="https://www.techrajjo.com/feeds/posts/default?max-results=9999&amp;alt=json-in-script&amp;callback=loadsitemap"></script>
</div>
Code ID No. TRCN-5190001

Downoad
  • এখন www.techrajjo.com  এর জায়গায় আপনার ব্লগের এড্রেস দিয়ে দিন।
  • সবশেষে Publish বাটনে ক্লিক করলেই তৈরি হয়ে গেলো আপনার ব্লগের জন্য আকর্ষণীয় একটি সাইটম্যাপ ।
  • এবার যদি আপনি পেজটি ভিউ করেন তাহলে আপনি নিজেই দেখতে পারবেন যে কত আকর্ষণীয় একটি সাইটম্যাপ তৈরি করে ফেলেছেন আপনি । আর সেটা করতে আপনার ৫ মিনিট সময়ও হয়তো লাগে নি ।
  • আরেকটি কথা - আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।
শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতে, বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।
আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...

ব্লগারে একটি আকর্ষণীয় HTML Sitemap Page তৈরী করে নিন ব্লগারে একটি আকর্ষণীয় HTML Sitemap Page তৈরী করে নিন Reviewed by CEO on Friday, May 10, 2019 Rating: 5

এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়!

Friday, May 10, 2019

হ্যালো বন্ধুরা, TechRajjo.Com – Create Your Own Creativity তে আপনাকে স্বাগতম । কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয় ভালো আছেন । আর ভালো আছেন বলেই হয়তো আমাদের টেক রাজ্য থেকে আপনার পছন্দের এই আর্টিকেলটি পড়তে বসছেন । আমরা আমাদের টেক রাজ্যে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল শেয়ার করে থাকি । যাতে মানুষ প্রযুক্তিকে সহজে জানতে ও বুঝতে পারে ।  তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি প্রযুক্তি বিষয়ক আরেকটি আর্টিকেল । পোস্টের টাইটেল পড়ে এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে, আজকে আমরা কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।

তার আগে আপনার কাছে আমাদের রিকুয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে ।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় ফিরে যাই ।

এমন একটা সময় ছিল যখন এন্ড্রয়েড ফোন রুট করা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার ছিল কিন্তু বর্তমান সময়ে রুট করাটা অনেক সহজতর একটা ব্যাপার হয়ে গেছে। আমি আপনাদেরকে ০২ টি উপায়ে রুট করার কৌশল দেখাবো। দুটির মধ্যে একটি কম্পিউটারের মাধ্যমে এবং অপরটি দেখাবো কিভাবে কম্পিউটার ছাড়াও আপনার নিজস্ব মোবাইলের মাধ্যমে রুট করতে হয়। এই দুইটি পদ্ধতীই সহজ এবং বর্তমান সময়ের জন্য খুবই নিরাপদ। যাদের কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ নেই তারা চাইবে মোবাইলের সাহায্যে রুট করে নিতে। আর যাদের কম্পিউটার আছে তারা ইচ্ছা করলে যে কোন একটি উপায়ে রুট করে নিতে পারবেন। সবার চাহিদার কথা ভেবে আমি আপনাদের জন্য এই দুইটি পদ্ধতি একসাথে শেয়ার করে দিলাম।

কিন্তু তার আগে আমাদের জানতে হবে রুট কি এবং কেন ?  তাহলে চলুন প্রথমে জেনে নিই এই প্রশ্নগুলোর উত্তরে কি আছে ।

TechRajjo.Com
 
root-android-device


রুট কিঃ শব্দটি এতোই প্রচলিত হয়ে গেছে যে, Root User বলার বদলে সবাই এটিকে সরাসরি Root বলে থাকে। সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, Root হচ্ছে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়লিনাক্সের জগতে Root বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায়, যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে। Root হচ্ছে একটি এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না। লিনাক্সেও তেমনি Root পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম এ্যাডমিনিষ্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই Root User বলা হয়।

এখানে আপনাকে আমি একটা কথা আগেই বলে দিতে চাই সেটা হল – জরুরি প্রয়োজন না হলে আপনি আপনার ফোনটি Root করবেন না । কারন Root করার ফলে আপনার ফোনের যে ওয়ারেন্টি বা গ্যারান্টি রয়েছে সেটা নষ্ট হয়ে যাবে । ফলে আপনার ফোনে কোন সমস্যা হলে ওয়ারেন্টি কার্ড থাকার পরেও আপনি কোম্পানি থেকে আপনার ফোনের জন্য ফ্রি সার্ভিস পাবেন না । আর যদি আপনার ফোনের ওয়ারেন্টি আগেই শেষ হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে সেটা আলাদা বিষয় ।

 এবার চলুন দেখি কিভাবে আপনি আপনার ফোনটি রুট করবেন ।

 ×আপডেটঃ এই পোষ্টটি সর্বশেষ ০৯/০২/২০১৮ তারিখে আপডেট করা হয়েছে।

 প্রথম পদ্ধতিঃ কম্পিউটারের মাধ্যমে রুট

যাদের কম্পিউটার আছে তারা অবশ্যই এই পদ্ধতিতে রুট করে নেবেন। কারণ এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ অর্থাৎ মোবাইল ব্রিক করার কোন প্রকার ঝুকি নেই। এ পদ্ধতিতে এন্ড্রয়েড এর যে কোন ভার্সন-কে রুট করতে পারবেন। মোবাইল রুট করার ক্ষেত্রে এ সফটওয়্যারটি কোন কোন ধরনের ডিভাইস সাপোর্ট করছে সে বিষয়ে তাদের অফিসিয়াল সাইট থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে তাদের তালিকায় আপনার ডিভাইসটি রয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারবেন। তাহলে দেরী না করে এবার কাজের কথায় আসি।
  • প্রথমে Kingo Android Root সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড করে Install করে নিন।
  • Install করার পর সফটওয়্যারটি Run করলে নিচের চিত্রের মত শো করবে।

TechRajjo.Com
 
kingo root device not connected

  • এবার আপনার মোবাইলে Settings থেকে Developer Options যেতে হবে। Developer Options অন করে Enable USB Debugging এ ঠিক চিহ্ন দিতে হবে। এটি করার জন্য নিচের চিত্রে দেখুন-
TechRajjo.Com
 
USB-Debugging

  • তারপর USB Cable এর মাধ্যমে আপনার মোবাইলটি কম্পিউটারের সাথে Connect করুন।
  • Connect হওয়ার পর এটি অটোমেটিক্যালি ড্রাইভার ডাউলোড করে Install করে নেবে। এর জন্য অবশ্যই আপনার কম্পিউটারটি internet এর সাথে Connected থাকতে হবে।
  • ড্রাইভার Install হওয়ার পর মোবাইলটি কম্পিউটার থেকে Disconnect করে আবার Connect করলে নিচের চিত্রের মত দেখতে পাবেন।
TechRajjo.Com
 
mobile-root-connection

  • এখানে শুধু ROOT এ ক্লিক করলেই  আপনার মোবাইলটি রুট হতে শুরু করবে। এর মধ্যে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। Root হওয়ার জন্য ৩ থেকে ৪ মিনিট সময় নিতে পারে
  • ব্যাস, আপনার ফোনটি রুট হয়ে গেল । রুট কমপ্লিট হওয়ার পর নিচের চিত্রের মতো Success ম্যাসেজ শো করলে Finish Button এ ক্লিক করতে হবে।

TechRajjo.Com
 
root-success

  • তারপর আপনার মোবাইলটি রিস্টার্ট করুন। ব্যাস, আপনার ফোনটি রুট হয়ে গেল ।

বিশেষ বার্তাঃ দীর্ঘ দিন থেকে Kingo Root শুধুমাত্র কম্পিউটার এর মাধ্যমে এন্ড্রয়েড ফোন Root করার সুবিধা দিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তারা Kingo Root এর Apk ভার্সন বের করেছে। ফলে যাদের হাতের নাগালে কম্পিউটার নেই তারাও অত্যান্ত কার্যকরী এই App টি দিয়ে সহজে এন্ড্রয়েড মোবাইলটি রুট করে নিতে পারবেন।

স্পেশাল টিপসঃ রুট করতে কোন প্রকার সমস্যা হলে Kingo Root এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হতে রুট করার টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন। তারা তাদের অফিসিয়াল সাইটে সকল ধরনের ডিভাইস রুট করার টিউটোরিয়াল শেয়ার করেছে।

 দ্বিতীয় পদ্ধতীঃ মোবাইলের মাধ্যমে রুট

এ পদ্ধতীতে দেখাবো কিভাবে Kingroot এ্যাপ দিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজে আপনার এন্ড্রয়েড ফোন রুট করবেন। নামের দিক থেকে Kingo Root এবং Kingroot দেখতে প্রায় এক রকম হলেও একটু মনোযোগ সহকারে দেখলে নামের পার্থক্য বুঝা যায়। এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার জন্য বর্তমান সময়ে এটি খুবই সহজ এবং জনপ্রিয় একটি এ্যাপ। এটি শুরুর দিকে শুধুমাত্র Chines Version ছিল কিন্তু পরবর্তীতে English Version বের হয়েছে। এটি দিয়ে মাত্র এক ক্লিক করেই আপনার ফোনটি রুট করতে পারবেন। এটি দিয়েও এন্ড্রয়েড এর প্রায় সকল আপডেট ভার্সন পর্যন্ত রুট করা যায়।
  • প্রথমে এখান থেকে এ্যাপটি ডাউনলোড করে Install করুন।
  • Install হওয়ার পর এ্যাপটি Open করলে কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার মোবাইলটি Scan হবে এবং নিচের চিত্রটি শো করবে। রুট করার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইলের ইন্টারনেট Active করে রাখবেন।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়
  • এখানের নীল রংয়ের Try it বাটনে ক্লিক করলে ফোনের রুট Status Verify শুরু করবে।

এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়

  •  উপরের চিত্রে দেখুন ফোনের Root Status Verify করছে।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়

  • উপরের চিত্রের নীল কালারের Start Root বাটনে ক্লিক করলে আপনার মোবাইল রুট হওয়া শুরু করবে।

এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়
  • উপরের চিত্রটিতে ১০০% না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন । এতে ২ থেকে ৩ মিনিট সময় লাগতে পারে । ১০০% হয়ে গেলে নিচের চিত্রের মতো আপনার ফোনের Screen Success ম্যাসেজ শো করবে ।

এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়

  • এখন আপনার মোবাইলটি Restart করুন। ব্যাস, আপনার ফোনটি রুট হয়ে গেল ।
  • এরপর শুধু KingUser টি রেখে বাকী সব Extra এ্যাপ Uninstall করতে পারেন।
  • এখন থেকে আপনার মোবাইলটি  রুটেড ডিভাইস। Restart হওয়ার পর মোবাইলে SuperSU নামের একটি এ্যাপ দেখতে পাবেন। এটি হচ্ছে আপনার রুট এ্যাপ/ইউজার।
স্পেশাল টিপসঃ রুট করতে কোন প্রকার সমস্যা হলে KingRoot এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হতে রুট করার টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন।

বিশেষ অনুরোধঃ আপনি যদি আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন, তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করে নিন । তাহলে প্রযুক্তি বিষয়ক নিত্যনতুন আর্টিকেল সবার আগে পৌঁছে যাবে আপনার কাছে

শেষ কথাঃ আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে আলোচ্য আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । আমি আশা করবো উক্ত আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সামান্য কিছু হলেও জানতে, বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন । তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

আজ এ পর্যন্তই । আবার আপনাদের সামনে হাজির হবো  অন্য কোন প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল নিয়ে । ততদিন সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন আর টেক রাজ্যের সাথেই থাকুন । ধন্যবাদ...

এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়! এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়! Reviewed by CEO on Friday, May 10, 2019 Rating: 5
Powered by Blogger.